উবার-পাঠাও বন্ধ নয়, নীতিমালা দাবি

সিএনজিচালিত অটোরিকশা মালিক-শ্রমিকদের আট দফা দাবির মধ্যে তৃতীয় দাবিই ছিল উবার-পাঠাওয়ের মতো অবৈধ অ্যাপসে চলা যান বন্ধ করতে হবে। এখন এ দাবি থেকে সরে এসেছেন তাঁরা। ঢাকা ও চট্টগ্রাম জেলা সিএনজিচালিত অটোরিকশা শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নেতারা এ ব্যাপারে নীতিমালা চাইছেন।

১৫ নভেম্বর ডাকা এক সংবাদ সম্মেলনে পরিষদ ধর্মঘটসহ আট দফা দাবিতে ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে। উবার, পাঠাওয়ের মতো অ্যাপসে চলা যান বন্ধের দাবিও জানায় সংগঠনটি। এরপরই তারা বিভিন্ন মহলে কঠোর সমালোচনার মুখে পড়ে। তাদের ডাকা ২৭ ডিসেম্বর থেকে ৪৮ ঘণ্টার সিএনজিচালিত অটোরিকশা ধর্মঘট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ট্রল’ও শুরু হয়।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ২২ নভেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবে শ্রমিকসমাবেশ হয়। সে সমাবেশেই ঢাকা ও চট্টগ্রাম জেলা সিএনজিচালিত অটোরিকশা শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নেতারা বলেন, তাঁরা অ্যাপসে চলা যান বন্ধ নয়, নীতিমালা চান। গণমাধ্যমে তাঁদের দাবিকে ‘বিকৃতভাবে’ উপস্থাপন করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন

বন্ধের দাবি থেকে সরে নীতিমালার প্রসঙ্গে গত সোমবার এ পরিষদের সদস্যসচিব সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘একসময় বন্ধের কথা বলেছিলাম। কিন্তু উবার-পাঠাও এখন জনপ্রিয়। আর আমরাও আঁচ করতে পেরেছি, যাত্রীরা আমাদের বিপক্ষে চলে গেছে।’

এই নেতা বলেন, বছর খানেক ধরে ‘অবৈধ’ গাড়ি সরকারের কোনো নীতি ছাড়াই রাস্তায় চলছে। কিন্তু সার্জেন্টরা এগুলো ধরেন না। তাঁরা নীতিমালা ছাড়া গাড়ি চালানো বন্ধের কথা বলছেন। এ ছাড়া অ্যাপসের মাধ্যমে চলার নীতিমালা হলে সেখানে সিএনজিচালিত অটোরিকশাও যেন চলতে পারে, সে ব্যবস্থাও থাকা উচিত বলে মনে করেন সাখাওয়াত হোসেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এখন তো আরও অনেক প্রতিষ্ঠান আসতেছে। তারা তো পকেট কাটা শুরু করে নাই। দু-এক বছর যাক, মানুষ বুঝব। নীতিমালা না থাকলে এদের বিরুদ্ধে তো কেউ অ্যাকশনেও যেতে পারবে না।’