মধুচন্দ্রিমা পার হয়ে গেলে…

মধুচন্দ্রিমা পার হয়ে গেলে মধুর রোমান্টিকতা ধরে রাখা কঠিন। মন থেকে আবেগ সরে গেলে বাস্তবতার মুখে দাঁড়িয়ে রোমান্টিকতা খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে কিছু জুটি আছেন, যাঁদের বেলায় চোখের আড়াল হলেই কিন্তু মনের আড়াল নয়।

মধুর সময় কাটানোর বিষয়গুলো ছোটখাটো অনেক কিছুর মধ্যেই যুক্ত করে রাখেন তাঁরা। এতে তাঁদের সম্পর্ক সব সময় মধুর থাকে। তাঁরা নিজেদের মধ্যে ছোটখাটো এমন কিছু করতেই থাকেন, যা দেখে মনে হয় আবার বুঝি নতুন করে প্রেমে পড়েছেন তাঁরা।

সম্প্রতি হাফিংটন পোস্টে এমনই কয়েকটি জুটির প্রতিক্রিয়া নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। আসুন, জেনে নিই সঙ্গীকে মুগ্ধ করার বেলায় কয়েকটি দম্পতির পদ্ধতিগুলো:

ভ্রমণের সময় খোঁজ নিন : সঙ্গী যখন ভ্রমণে থাকেন, তখন আরেকজনের মধ্যে উদ্বেগ কাজ করে। তিনি নিরাপদে আছেন কি না, এ ব্যাপারে খোঁজখবর নেন। ভালোবাসার বার্তা পাঠান। এটি সঙ্গীর মন ভালো করে দেবে।

দিনটা কাটে মধুর : জীবনে বাজে দিন বা সময় আসতেই পারে। কিন্তু একটু কথায় বা কাজে হয়তো ওই বাজে সময় কাটিয়ে ওঠা যায়। সঙ্গী নিশ্চয়ই এ ভূমিকা নিতে পারেন। সবচেয়ে কাছের মানুষটিই বুঝতে পারেন প্রয়োজনীয়তা। কাছে বসে কিছুটা কথা শোনা, কিছুটা সময় দেওয়ার মধ্যেই সম্পর্ক আরও ভালো হয়ে যায়।

সবচেয়ে ভালো মানুষ : মনে রাখতে হবে, আপনার সঙ্গীর কাছে আপনিই হবেন হিরো। তাঁর হৃদয় জেতার জন্য নিশ্চয়ই অনেক কিছু করার আছে আপনার। তাঁর প্রিয় পোষা প্রাণীগুলোর প্রতি মমতা দেখানো, ভদ্র আচরণ, প্রয়োজনে শক্ত হয়ে পাশে দাঁড়ানোর মতো বিষয়গুলো আপনার সঙ্গীকে মুগ্ধ করতে পারে।

সবকিছু মিলেয় মেনে নেওয়া : মনে রাখতে হবে, কোনো মানুষই পুরোপুরি নিখুঁত নয়। তার কিছু সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে। কিন্তু সবকিছু মিলিয়ে যে ভালোবাসতে পারে, তার চেয়ে বিশ্বে সম্পর্কের ক্ষেত্রে মধুরতম আর কী হতে পারে?

মনটা ভালো করে দেয় : রোজকার জীবনে শিশুদের মতো আনন্দ এনে দিতে পারেন যে সঙ্গী, তাঁকে পছন্দ না করে পারা যায়? জীবনে অনেক চাপ, দুঃখ-কষ্ট থাকতে পারে। এসব পাশে রেখে জীবনটাকে মধুর করে তুলতে যিনি চেষ্টা করে যান, তাঁকে তো প্রতিদিনই ভালোবাসি বলা যায়। তথ্যসূত্র: হাফিংটন পোস্ট।