বার্তাবাংলা ডেস্ক »

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলায় ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল লাইনের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় বিকল হয়ে পড়ে মাইক্রোবাস। এ সময় এসে পড়ে চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের তিন আরোহী নিহত হয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার ১২ পাড়া ইউনিয়নের বিজয়পুর জেলখানা বাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতেরা হলেন, সেনট্রি সিকিউরিটি সার্ভিস লিমিটেডের আঞ্চলিক সুপারভাইজার হারুনুর রশিদ (৪২), একই কোম্পানির মাঠ কর্মকর্তা আবু তাহের (৪২) ও মাইক্রোবাস চালক সোহেল খন্দকার (২৬)। এর মধ্যে হারুনুর রশিদের বাড়ি চাঁদপুরের হাজিগঞ্জ উপজেলার ঠাকুরিয়া গ্রামে। আবু তাহেরের বাড়ি কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার জারখন্ড গ্রামে এবং মাইক্রোবাস চালক সোহেলের বাড়িও একই উপজেলার গোলাবাড়ি গ্রামে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পাহাড়িকা ট্রেনের যাত্রী মাসুদ পারভেজ বলেন, ট্রেনে লাকসাম থেকে কুমিল্লা যাচ্ছিলাম। এর মধ্যে বিজয়পুর জেলখানাবাড়ি এলাকায় রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় মাইক্রোবাসটি রেললাইনের মধ্যে আটকে যায়। তখন পাহাড়িকা ট্রেন ওই মাইক্রোবাসটিকে ধাক্কা দিয়ে অন্তত এক কিলোমিটার উত্তর দিকে মোহনপুর এলাকায় নিয়ে আসে। এ সময় ট্রেনের চালক ট্রেন থামিয়ে দেন। এরপর স্থানীয়দের সহযোগিতায় রেললাইন থেকে দোমড়ানো মোচড়ানো মাইক্রোবাসটিকে সরানো হয়। সাড়ে ১২টায় ট্রেনটি আবার ছাড়ে।

খবর পেয়ে সদর দক্ষিণ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুপালি মণ্ডল, লাকসাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্বপন কান্তি বড়ুয়া ও বারোপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সেলিম আহমদ ঘটনাস্থলে আসেন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও ঘটনাস্থলে আসেন।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »