বার্তাবাংলা ডেস্ক »

Dating App

নারীদের প্রজননক্ষম বয়সটি গড় হিসাব ১৫ থেকে ৪৫। এই সময়ে তাঁদের নিয়মিত ঋতুস্রাব হয়, তাঁরা সন্তান ধারণে সক্ষম থাকেন।  ৪৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সের মধ্যে মেয়েদের ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে যায়। প্রথমে কিছুদিন অনিয়মিত হয়। তারপর একসময় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে গেলে নারীদের শরীরে কিছু হরমোনের ঘাটতি দেখা দেয়। তখন শরীরে কিছু উপসর্গ দেখা দেয়। এগুলোকে একসঙ্গে বলে পোস্ট মেনোপজাল সিন্ড্রোম। সংক্ষেপে পিএমএস (PMS)। পোস্ট মেনোপজাল সিন্ড্রোম হলে কী কী উপসর্গ দেখা দেয়?

হাত ও পায়ের তালু জ্বালা করা

কান ও মাথার তালু দিয়ে গরম ভাপ বের হওয়া

শরীরে অত্যধিক গরম অনুভূত হওয়া

মেজাজ খিটখিটে হওয়া

হতাশা বা ডিপ্রেশন

ভ্যাজাইনাল ড্রাইনেস

চামড়া কুঁচকে যাওয়া

হাড়ের ক্ষয় হওয়া ও হাড়ে ব্যথা হওয়া

যৌন শীতলতা অনুভব করা

চুল পড়ে যাওয়া

অতিরিক্ত লোম হওয়া ইত্যাদি।

ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়া বা রজঃ নিবৃত্তির পর মেয়েদের শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের নিঃসরণ কমে যায়, ৪০-৬০ শতাংশ। প্রোজেস্টেরনের পরিমাণ প্রায় শূন্যে চলে আসে। এ দুটি হরমোনের ভারসাম্য নারীদেহের স্বাভাবিক সুস্থতা ও উজ্জ্বলতা বজায় রাখে। কিন্তু রজঃনিবৃত্তির পর এই ভারসাম্য নষ্ট হয়। এতে দেখা দেয় বিভিন্ন উপসর্গ।

সমাধান কী?

সমাধান হলো হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি। কৃত্রিমভাবে ওষুধ হিসেবে হরমোনগুলো শরীরে নেওয়া যায়। নিয়ম মেনে ব্যবহার করলে অনেকখানিই ভালো থাকা সম্ভব। কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও রয়েছে। যেমন : স্তন ক্যানসার, জরায়ুর ক্যানসার। তবে নির্দিষ্ট মেয়াদে চিকিৎসা নিলে এগুলো রোধ করা সম্ভব।

এ ছাড়া নির্দিষ্ট কিছু ব্যায়াম, যোগ, মেডিটেশন, আনন্দদায়ক কাজে নিয়োজিত থাকলে ভালো থাকা সম্ভব। ডিপ্রেশন হলে সাইকোথেরাপি নেওয়া যেতে পারে।

Dating App
শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »