বার্তাবাংলা ডেস্ক »

হংকংসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের ১৫টি দেশ ও সুইজারল্যান্ডে কীটনাশকযুক্ত বিষাক্ত ডিম পাওয়ার ঘটনা মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইউরোপীয় কমিশনের। বিষয়টি নিয়ে বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস ও জার্মানির পরস্পরকে দোষারোপ পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক করে তুলেছে। গতকাল শুক্রবার বিশেষ সভা ডেকেছে ইউরোপীয় কমিশন।

২৬ সেপ্টেম্বর উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় বসবেন এসব দেশের মন্ত্রী এবং খাদ্য নিরাপত্তাবিষয়ক প্রধানেরা।

সম্প্রতি নেদারল্যান্ডস থেকে আমদানি করা ডিমে ফিপ্রোনিল নামের একটি রাসায়নিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। ফিপ্রোনিল নামের ওই বিষাক্ত রাসায়নিক মানুষের শরীরে ঢুকলে কিডনি, লিভার ও থাইরয়েড গ্রন্থির ক্ষতি হতে পারে ৷ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এটিকে মাঝারি মাত্রার বিষ বলে ঘোষণা করেছে। খামারে পালন করা প্রাণীদের শরীরের উকুন মারতে সাধারণত এই রাসায়নিকটি ব্যবহার করা হয়। ১ আগস্ট এই ঘটনা প্রথম উন্মোচিত হয়।

এর কয়েক দিন পর বেলজিয়াম জানায়, নেদারল্যান্ডস থেকে আসা ডিমে ক্ষতিকর পদার্থ থাকার বিষয়টি গত জুন মাস থেকেই জানত তারা। বেলজিয়ামের খাদ্য নিরাপত্তাবিষয়ক সংস্থা জানায়, তদন্তের স্বার্থেই এ বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। আর এরপরই প্রশ্ন উঠেছে, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম ও জার্মানি কবে থেকে এই বিষাক্ত ডিমের বিষয়ে জানত। এই নিয়ে চলছে পাল্টাপাল্টি দোষারোপ।

উদ্ভূত এই পরিস্থিতি একে অপরের দোষারোপ বন্ধ করা উচিত বলে মনে করছে ইউরোপীয় কমিশনের স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা বিভাগ। তারা বলছে, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে এবং দোষারোপের পরিবর্তে এগিয়ে যেতে হবে।

ইউরোপে ডিম ও ডিমজাত খাদ্যের সবচেয়ে বড় রপ্তানিকারী দেশ নেদারল্যান্ডস। সারা বিশ্বে ডিম রপ্তানিকারী দেশগুলোর মধ্যে এটি একটি। প্রতিবছর প্রায় এক হাজার কোটির মতো ডিম উৎপাদন করে দেশটি৷ এর মধ্যে ৬৫ শতাংশই রপ্তানি হয় ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে৷

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »