গাইবান্ধায় পানিবন্দি লক্ষাধিক মানুষের দুর্ভোগ

গাইবান্ধা অঞ্চলে বাড়ছে যমুনা-ব্রহ্মপুত্রের পানি। যমুনা-ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ৫৫ সেন্টিমিটার ও ঘাঘট নদীর পানি ৩৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে জেলার চারটি উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ এখন পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পানির চাপে হুমকির মুখে পড়েছে গাইবান্ধা শহর রক্ষা বাঁধ ও  সাঘাটা সড়ক। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় গাইবান্ধা সদর, সাঘাটা, ফুলছড়ি ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ এখন দুর্ভোগে রয়েছে। নলকূপ ডুবে যাওয়ায় অনেক দূর থেকে খাবার পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে। অন্যদিকে চুলা জ্বালাতে না পেরে অনেক পরিবার খাওয়া নিয়ে সংকটে পড়েছে। অধিকাংশ এলাকায় ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগও শোনা গেছে। ফুলছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবদুল গফুর, ফজলুপুরের ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দীন, উড়িয়ার ইউপি চেয়ারম্যান মাহতাব উদ্দীন ও এরেণ্ডাবাড়ির ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান জানান, তাদের উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নই পানিয়ে তলিয়ে গেছে। উপজেলার মোট ৬৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এ ধরনের আরও কন্টেন্ট

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘একটা পয়েন্টে একটু সমস্যা ছিল, সেটা আমরা এরই মধ্যে মাটি এবং জিও ব্যাগ দিয়ে সমাধান করেছি। এখানে সড়ক বিভাগ আমাদের সহযোগিতা করেছে। এখন পানি আর সেখানে ওভার-ফ্লো করছে না।’

এ ধরনের আরও কন্টেন্ট