লংগদুতে যুবলীগ নেতা হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২

রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় যুবলীগ নেতা নুরুল ইসলামকে হত্যার অভিযোগে খাগড়াছড়ি থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিহত নুরুল ইসলামের মোটরসাইকেলটি উদ্ধারে খাগড়াছড়ির মাইনি নদীর দিকে অভিযানে গেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া দুজন হলেন জুয়েল চাকমা ও রমেল চাকমা।

খাগড়াছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারেক মোহাম্মদ আবদুল হান্নান জানান, আজ শনিবার সকালে খাগড়াছড়ির দীঘিনালার সীমান্ত এলাকা থেকে জুয়েল চাকমা ও রমেল চাকমাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মাইনি ব্রিজ থেকে ৩০০ গজ দূরে মোটরসাইকেলের হেলমেট পাওয়া গেছে। গ্রেপ্তার হওয়া দুজনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মোটরসাইকেলটি উদ্ধারে মাইনি নদীর আশপাশে অভিযান চালানো হচ্ছে। এই গ্রেপ্তারের ব্যাপারে আজ বিকালে গণমাধ্যমকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলে তিনি জানান।

নিহত নুরুল ইসলাম উপজেলা সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। গত ১ জুন দুপুরে খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সড়কে চার কিলো এলাকা থেকে নুরুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করা হয়। তাঁর বাড়ি লংগদু উপজেলা সদরে। তিনি ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল চালাতেন। ঘটনার দিন দুজন পাহাড়ি নুরুল ইসলামের মোটরসাইকেল ভাড়া করেন। এরপর থেকে তাঁর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাঙামাটি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। লাশ উদ্ধারের পরদিন ২ জুন সকালে সেখানকার বাঙালিরা তিন টিলা ও মানিকজোর ছড়া গ্রামে পাহাড়িদের দুই শতাধিক বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সদরের আশপাশে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।