সম্প্রীতি মাহমুদ »

ধূমপান করার পর যখনই তার প্রভাব শরীর থেকে কমতে থাকে তখনই আপনার ফের ধূমপান করার ইচ্ছা জাগে-তাই তো! আর এই ভাবেই আস্তে আস্তে ধূমপানে আসক্তি বাড়ে। নিকোটিন মন ভালো করলেও অনেক বিষাক্ত কেমিক্যাল শরীরে প্রবেশ করিয়ে দেয়, যা থেকে একাধিক অঙ্গের মারাত্মক ক্ষতি হয়। যে ধূমপান করবে তার যেমন ক্ষতি তেমনই ক্ষতি চারপাশে থাকা মানুষদেরও। বিশেষ করে শিশুদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়। প্রেগন্যান্ট মহিলাদের সামনে ধূমপান শুরু করলে সদ্যোজাতের ওজন খুব কম হয়। তাই এর থেকে মুক্তি পেতে জেনে নিন-

১. প্রথমেই সহকর্মীকেও ধূমপান ছাড়ার জন্য বোঝান। সহকর্মী যতই একটা সিগারেট খেতে অনুরোধ করুক শুনবেন না। যদি ধূমপান না করে কোনভাবেই থাকতে না পারেন তা হলে চেষ্টা করুন যাঁরা ধূমপান করে না তাদের সঙ্গে সময় কাটাতে।
২. খাওয়া শেষ হলে তাড়াতাড়ি টেবিল ছেড়ে উঠে নিজের যে কাজগুলো করতে সবচেয়ে বেশি ভাল লাগে সেই কাজ করুন। তবে সিগারেট নয়।
৩. বই পড়ে, গান শুনে ও হাঁটতে গিয়ে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন। মুখ ও হাত ব্যস্ত রাখতে মুখে চুইংগাম রাখুন, হেলদি স্ন্যাক্স খান। ভিডিও গেম খেলুন।
৪. যে পরিমাণে চা-কফি খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে তা দ্রুত কমান। যে কাপে ও যে জায়গায় গিয়ে চা খান সেটা বদলান। নতুন অভ্যাস শুরু করুন।
৫. সিগারেট না খেয়ে নিকোটিন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি করলে উপকার বেশি। এতে শরীরে নিকোটিনের চাহিদাও মেটে ও       সিগারেটের প্রতি আসক্তিও কমে।
৬. গাড়িতে ধূমপান কখনোই নয়। গাড়ি অ্যাসট্রেতে নোট রাখুন, ‘স্মোকিং ইজ ইনজ্যুরিয়াস টু হেলথ। ‘ পার্টিতে গেলে স্মোকিং জোন থেকে দূরে থাকুন। ইচ্ছে ও মনের জোরকে বেশি গুরুত্ব দিন।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »