উপকূলজুড়ে মহাবিপদ সংকেত

ঘূর্ণিঘড় মোরা’র কারণে দেশের উপকূলজুড়ে মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ও কক্সবাজারে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত এবং পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় এলাকার লোকজন আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে শুরু করেছেন।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণকক্ষের সূত্রমতে, রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত কক্সবাজার পৌরসভাসহ আশপাশের বেশ কিছু কেন্দ্রে অন্তত ৩০ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। এখন বাতাসের গতিবেগ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লোকজনের আগমনও বাড়ছে।
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাল মঙ্গলবার ভোর পৌনে ছয়টা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত উড়োজাহাজ ওঠা-নামা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার রিয়াজুল কবীর আজ রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র প্রভাবে আজ সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে ১০ নম্বর মহা বিপৎ​সংকেত ঘোষণা করা হয়। এরপরই ভোর থেকে উড়োজাহাজ ওঠা-নামা বন্ধের ঘোষণা এল।
উইং কমান্ডার রিয়াজুল কবীর বলেন, রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী উড়োজাহাজ ওঠা-নামা করেছে।
চট্টগ্রামের পতেঙ্গা আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে স্বাভাবিকের চেয়ে চার থেকে পাঁচ ফুট উচ্চতার জোয়ারে প্লাবিত হতে পারে উপকূলীয় এলাকা।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র কারণে যেসব জেলায় বিপদসংকেত দেখানো হয়েছে, সেসব জেলার স্থানীয় সরকারের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।