বার্তাবাংলা ডেস্ক »

gol testবার্তাবাংলা ডেস্ক :: রেকর্ডময় গল টেস্ট অবশেষে ড্র হলো।৭৬ টেস্টে বাংলাদেশের এটি অষ্টম ড্র। অবশ্য শেষদিন পর্যন্ত খেলে টেস্ট ড্র হয়েছে এ নিয়ে তৃতীয়বার। ২০০৪ সালে ব্রায়ান লারার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পুরো পাঁচদিন খেলে ড্র করেছিল বাংলাদেশ। ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের দ্বিতীয় টেস্ট ড্র করে ঢাকার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে। গলে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামেও পঞ্চমদিনের শেষঘণ্টা পর্যন্ত খেলায় প্রাধান্য ধরে রাখে বাংলাদেশ। টেস্টে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এবারই প্রথম এত ভালো খেলেছেন মুশফিকুর রহিমরা।

দ্বিতীয় ইনিংসে ২২ ওভার ব্যাট করে এক উইকেট হারিয়ে ৭০ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। জহুরুল ৪১ ও আশরাফুল ২২ রানে অপরাজিত ছিলেন।

শ্রীলঙ্কা দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে চার উইকেটে ৩৩৫ রান তুলে। পঞ্চম ও শেষদিন দুই সেশন ব্যাট করে ওই রান তোলে স্বাগতিকরা। ২৬৭ রানে এগিয়ে থেকে ৩৮ ওভারে বাংলাদেশকে লক্ষ্য দেয় ২৬৮ রানের।

প্রথম ইনিংসে শ্রীলঙ্কার ৫৭০ রানের জবাবে বাংলাদেশ ৬৩৮ রানে চতুর্থ দিন গুটিয়ে যায়। ৬৮ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই ওপেনার দিমুথ করুনারতেœকে হারায় শ্রীলঙ্কা। শেষ পর্যন্ত সাঙ্গাকারা ও দিলশানের জুটিতে ৪৮ রানের লিড নিয়ে দিন শেষ করে তারা।

শেষ দিন মাঠে নেমে দুজনেই শতকের দেখা পান। সাঙ্গাকারা টানা দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি করেন ১৫৬ বলে। এর আগে দিলশান ১৬তম টেস্ট শতক হাঁকান ১৩৯ বলে। লাঞ্চের আগ পর্যন্ত ২১৩ রানের জুটি গড়েন তারা। ফিরে এসে মাহমুদুল্লাহর ওভারে দ্বিতীয় বলে জহুরুল ইসলামের হাতে ক্যাচ দেন সাঙ্গাকারা, ১৭২ বলে ১০৫ রান করেন তিনি।

কিথুরুয়ান ভিতানেজকে নিয়ে ১৯ রানের জুটি গড়তেই মাহমুদুল্লাহর স্পিনে আবুল হাসানের তালুবন্দি হন দিলশান। ১৯০ বলে নয় চারে ১২৬ রান করেন লঙ্কান ওপেনার।

ভিতানেজ ৫৯ রানে মাহমুদুল্লাহর তৃতীয় শিকার হন। অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস ৩৮ ও লাহিরু থিরিমান্নে ২ রানে অপরাজিত থাকলে ইনিংস ঘোষণা করে শ্রীলঙ্কা।

এই টেস্টে কুমার সাঙ্গাকারার দুটো সেঞ্চুরি থাকলেও দ্বিশতক হাঁকিয়ে ম্যাচ সেরার পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »