ফারজানা তন্বী »

মিষ্টি ও ঝাল জাতীয় রান্নায় দারুচিনির ব্যবহার প্রচলিত। এটি রান্নার স্বাদ ও সুগন্ধ বৃদ্ধি করে। এর বাইরেও দারুচিনির রয়েছে নানা উপকারিতা। চলুন জেনে নিই সেগুলো কী-

১. জ্বর, পেটব্যথা বা এজাতীয় সমস্যা সারাতে দারুচিনি খেতে পারেন। দারুচিনিতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফাইবার, আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ এবং কয়েক ধরনের এসেনশিয়াল অয়েল।

২. এমনি এমনি বা রান্নার মসলা হিসেবে তো দারুচিনি খাওয়া যায়ই, পাশাপাশি খেতে পারেন চায়ের সঙ্গে।

৩. মধু, লেবুর রস এবং দারুচিনি সেদ্ধ পানি একসঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন সুগন্ধযুক্ত চমৎকার পানীয়। রোজ এক কাপ করে পান করুন।

৪. একে সৌন্দর্য্যবর্ধক পানীয়ও বলে থাকেন কেউ কেউ। ব্রণ প্রতিরোধক ফেস মাস্ক বানাতে লাগবে তিন টেবিল-চামচ মধু এবং এক চা-চামচ গুঁড়া দারুচিনি। খুব ভালো করে মিশিয়ে নিন। দেখতে অনেকটা চকলেট পেস্টের মতো মনে হবে। তারপর সারা মুখে লাগিয়ে দশ মিনিট বা শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। সপ্তাহে দুবার ব্যবহার করলেই যথেষ্ট।

৫. যে ব্যাকটেরিয়া থেকে ব্রণ ওঠে, দারুচিনি সে ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে কাজ করবে আর মুখের লালচে ভাব এবং আর্দ্রতা রক্ষায় সাহায্য করবে মধু। ত্বকে জমে থাকা মৃত কোষ এবং শুষ্কতা প্রতিরোধেও ব্যবহার করা যেতে পারে দারুচিনি। এক চা-চামচ সি সল্ট, দুই চা-চামচ আমন্ড অয়েল, এক চা-চামচ অলিভ অয়েল, এক চা-চামচ মধু এবং দুই চা-চামচ দারুচিনিগুঁড়া ভালো করে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। গোসলের আগে এটি সারা মুখে লাগিয়ে সার্কুলার মোশনে ধীরে ধীরে ম্যাসাজ করুন। কমপক্ষে তিন মিনিট। তারপর শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন মুখ। মাস্কটি শুষ্কতা প্রতিরোধের পাশাপাশি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

৬. দাঁতে ব্যথা হলে ১ গ্রাম দারুচিনি থেঁতো করে ১ কাপ গরম পানিতে রাতে ভিজিয়ে সকালে ছেঁকে খেতে হবে।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »