বিশেষ সময় খাদ্যাভ্যাস ও জীবনধারায় পরিবর্তন

প্রতিবার নারীদের মাসিক চক্রে- মেজাজের ওঠা-নামা, পেটে ব্যাথা এবং শরীরে ফোলাভাব স্বাভাবিক বিষয়। তবে কোনো কোনো মাসে এর প্রকোপ অনেক বেশি দেখা দেয়। মাসের এই বিশেষ সময়ে স্বস্তিতে থাকার জন্য রয়েছে সহজ উপায়।
স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন জানানো হয় পিরিয়ড চলার সময় সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও জীবনধারায় পরিবর্তন করে ভালো থাকা যায়।

ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার : যেসব খাবারে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বেশি যেমন- পনির, দুধ, স্নেহ কম এরকম দই, পালংশাক ইত্যাদি খাবার পিরিয়ডের ব্যথা, ‘মুড সুইং’ এবং খাবারের ক্ষুধা কমায়। স্বাস্থ্য-বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলে পিরিয়ডের সময় কী পরিমাণ ক্যালসিয়াম প্রয়োজন তা জেনে নিন।

স্বাস্থ্যকর নাস্তা : ভাজা ও রাস্তার খোলা খাবার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক। তাই পিরিয়ড চলার সময়ে এই ধরনের খাবার অবশ্যই এড়িয়ে চলা উচিত। স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। বিশেষ করে শরীরের যখন বাড়তি যত্নের প্রয়োজন। অল্প সময় বিরতিতে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া উচিত। এটি শরীরের বিপাক প্রক্রিয়া বাড়াতে ও কার্যকর রাখতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত উচ্চ ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার, বাদাম, ফল এবং তাজা সবজি ইত্যাদি খাওয়া উচিত।

হালকা ব্যায়াম করা : যদিও বলা হয়ে থাকে ‘মাসিক’য়ের সময়ে ব্যায়াম করা ঠিক নয়। তবে এই সময় হালকা ব্যায়াম যেমন- হাঁটা শরীরের জন্য উপকারী। এটা ব্যথা কমাতে এবং শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। তবে মনে রাখতে হবে এই সময় পেটে চাপ পড়ে এমন ব্যায়াম করা ঠিক নয়।

ধ্যান করা : সব ধরনের ব্যাথার সবচেয়ে বড় উপশম হল শারীরিক বা মানসিক ধ্যান। ধ্যানের মাধ্যমে মানসিক শান্তি পাওয়া যায় এবং ব্যাথা হ্রাস পায়। তাছাড়া ধ্যান করলে ধৈর্য শক্তি বাড়ে এবং পিরিয়ডের ব্যাথা এবং ‘মুড সুইং’ কমে।