নারী দিবস মিশে গেলো গণজাগরণে » Leading News Portal : BartaBangla.com

বার্তাবাংলা ডেস্ক »

shabagবার্তবাংলা রিপোর্ট :: এ বছর নারী দিবসের কর্মসূচি একাকার হয়ে গেছে প্রজন্ম চত্বরের গণজাগরণ মঞ্চের নারী জাগরণের কর্মসূচির সঙ্গে। এবারের নারী দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয়- ৭১ এ স্বাধীনতা যুদ্ধে যেসব নারী অবদান রেখেছেন তাদের স্মরণে। মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, নারীর অংশগ্রহণ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করেছে ভেদাভেদহীন তরুণদের এই আন্দোলন। সেলিয়া সুলতানার রিপোর্ট।
প্রতিবছর নারী নির্যাতনের শত শত উদাহরণ, নির্যাতনের বন্ধের সমাধান খুঁজতে গিয়ে আইনের স্তুপ গড়ে তোলার দাবি। গণমাধ্যমের পর্দায় ও সংবাদপত্রের পাতায় নারী নির্যাতনের ভুরি ভুরি প্রতিবেদন। সব যেন এবার হঠাৎ করেই পাল্টে গেছে। প্রজন্ম চত্বরে আরেকটি যুদ্ধ জয়ের প্রত্যয় নিয়ে যখন ভেদাভেদহীন নারী পুরুষের এক দাবিতে- এক মঞ্চে- এক শপথে দিনের পর দিন আন্দোলন নতুন আলো ফেলেছে নারী নির্যাতন প্রতিরোধের বিষয়টিতে। আর তাই ৭১ এ স্বাধীনতা যুদ্ধে নারীর অবদানকে স্মরণ করে নতুন করে পথ চলার প্রত্যয় হয়ে উঠেছে এবারের নারী দিবসের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।
কর্মজীবী নারীর নির্বাহী পরিচালক শিরিন শারমিন বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রায় সাড়ে চার লাখ নারী জীবন দিয়ে সম্ভ্রম দিয়ে দেশকে স্বাধীন করার কাজে নিয়োজিত হয়েছিলেন, তাদের কথা স্মরণ করে এবারের ৮ মার্চ নারী দিবস পালন করা হচ্ছে।
মানবাধিকার কর্মীরা বলেন, সাংস্কৃতিক, প্রাতিষ্ঠানিক ও সাংগঠনিক কাজে নারীর অংশ গ্রহণ, সুস্থ রাজনীতি চর্চা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো নারী প্রতি সহিংসতা এবং নির্যাতন কমিয়ে আনতে পারে।
আইন ও সালিশ কমিশনের নির্বাহী পরিচালক সুলতানা কামাল বলেন, নতুন করে নারী নির্যাতন নিয়ে ভাবার অবস্থা চলে এসেছে। যেখানে নারীকে একই পর্যায়ের সহকর্মী ভাবা হয়, তখনই নারী নির্যাতন বন্ধের ব্যাপারগুলো পরিস্কার হয়ে যায়।মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, ২০১৩-তে ভেদাভেদহীন তরুন সমাজ নারী জাগরণেরও নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তাই নারী নির্যাতন বন্ধ, সম-অধিকার নিশ্চিত করা সহ সমাজে নারীর অধিকার রক্ষায় তরুনরাই মূল ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যয় তাদের।

শেয়ার করুন »

লেখক সম্পর্কে »

মন্তব্য করুন »