গণজাগরণ মঞ্চের কর্মসূচি : আবারো জনস্রোত সেই উদ্যানে » Leading News Portal : BartaBangla.com

বার্তাবাংলা ডেস্ক »

jonosrotবার্তবাংলা রিপোর্ট :: যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি ও জামাত-শিবির নিষিদ্ধের দাবিতে গণজাগরণ মঞ্চের সমাবেশ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরান্তনে এ সমাবেশ শুরু হয়েছে।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ সাবেক রেসকোর্স ময়দানে লাখ লাখ মানুষের সমাবেশে সংগ্রামের ডাক দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার ওই ডাকেই ২৬ মার্চ শুরু হয় মুক্তিসংগ্রাম। পরে দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধ করে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনেন এ দেশের সন্তানরা। রেসকোর্স ময়দানের পরবর্তীতে নাম হয় সোহরাওয়ার্দী উদ্যান।

আজ থেকে ৪২ বছর আগে যে ময়দানে বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের ডাক দিয়েছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান, সে মাঠেই কলঙ্কমুক্তির দাবি নিয়ে সমবেত হয়েছে ছাত্র-জনতা। যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি ও জামাত-শিবির নিষিদ্ধের দাবিতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণজাগরণ মঞ্চের সমাবেশে যোগ দিয়েছেন হাজারো মানুষ।

প্রথমে কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সমাবেশের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর গীতা, ত্রিপিটক এবং বাইবেল পাঠ করা হয়।

সকল ধর্মের বাণী পাঠের পর জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া হয়। এ সময় লাখো জনতার সুরে মুখর হয়ে উঠে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। সবাই দাঁড়িয়ে কণ্ঠ মেলায় ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’—জাতীয় সঙ্গীতে।

কাদের মোল্লাসহ সকল যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যুদণ্ড এবং জামাত-শিবির নিষিদ্ধ করার দাবি নিয়ে গত ৫ ফেব্রুয়ারি শাহবাগ চত্বরে এ আন্দোলন শুরু হয়। মাস পেরিয়ে গেলেও একই দাবিতে সমানভাবে সরব গণজাগরণ মঞ্চ।

দিন দিন এর ব্যাপ্তি বাড়ছে। বায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ, মিরপুর, মতিঝিল, পুরানো ঢাকা, যাত্রাবাড়ি, এবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেও একই রকমভাবে মানুষের ঢল নামে।

সমাবেশ শুরুর অনেক আগে থেকেই হরতাল প্রত্যাখ্যান করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নানা বয়সের মানুষ গিয়ে হাজির হয়। সবার কণ্ঠে ছিলো ঝাঁঝালো স্লোগান। সমাবেশে যাওয়া অগণিত মানুষের প্রাণের দাবি ছিলো একটি। এ সময় নানান বয়স, শ্রেণী-পেশার মানুষ ভিন্ন ভিন্ন কথামালায় যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন। বড়দের সঙ্গে শিশুরাও গিয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশে।

এছাড়া গণজাগরণের সমাবেশ থেকে বেশ কয়েকজন বক্তৃতা দেন। আর বক্তৃতার ফাঁকে ফাঁকে উদ্বীপ্ত স্লোগান চলেছে।

শেয়ার করুন »

লেখক সম্পর্কে »

মন্তব্য করুন »