স্টামফোর্ড সাহিত্য ফোরামের উদ্যোগে সাহিত্য প্রতিযোগিতা

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে স্টামফোর্ড সাহিত্য ফোরামের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হল ‘সাহিত্য প্রতিযোগিতা এবং আলোচনা সভা’। গত সোমবার সকাল ৯ টা থেকে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানটি চলে বিকেল ৬ টা পর্যন্ত। দুই পর্বের অনুষ্ঠানের প্রথম অংশে ছিল প্রতিযোগিতামূলক বিষয় এবং শেষ অংশে ছিল আলোচনা ও পুরস্কার বিতরনী। অনুষ্ঠানে সাহিত্যের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার মো. আব্দুল মতিন বলেন, “সাহিত্য মানুষের মনকে জাগ্রত করে সুন্দর ভাবে বাঁচতে শিখায়। তাই আমাদের উচিত সাহিত্যকে আকড়ে ধরে জীবনকে পরিচালিত করা”।
বিশেষ অতিথীর বক্তব্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর আহমেদ রেজা সাহিত্যকে অমৃতের রস আখ্যা দিয়ে বলেন, “কেউ যদি একবার এই অমৃতের সাধ নিতে পারে তবে তার জীবনে আর কিছু চাওয়ার থাকেনা”।
বিদায়ী বক্তব্যে সাহিত্য ফোরামের কনভেইনার মোকাররম হোসাইন চৌধুরী বলেন, “সাহিত্যকে জীবনের দর্পণ করে এবং সাহিত্যের প্রতি ভালবাসা নিয়ে সাহিত্য ফোরাম এগিয়ে জেতে চায় অনেক দূর”।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, এসসিএসেফ এর চিফ কো-অর্ডিনেটর ড. ফারহানাজ ফিরোজ, আবৃত্তিকার ভাস্বর বন্দোপাধ্যায়, কবি শাকিরা পারভীন সুমা, সাহিত্য ফোরামের স্টুডেন্ট কো-অর্ডিনেটর অমিক শিকদারসহ অনেকে।
কবিতা আবৃত্তি বিভাগে প্রথম হয়েছেন মৌমিতা পারভীন, দ্বিতীয় যৌথভাবে মার্জিয়া সুলতানা উপমা ও তৃণা সাহা এবং তৃতীয় তাবাসসুম বিন্তে ওবায়েদ। স্ব-রচিত কবিতায় প্রথম সাজ্জাদ হোসাইন, দ্বিতীয় সৈকত, তৃতীয় ইমরান আকন্দ। এবং স্ব-রচিত ছোট গল্পে প্রথম হয়েছেন আঞ্জুমানে রাবে ইশলাম, দ্বিতীয় মৌমিতা পারভিন অন্তরা এবং তৃতীয় হয়েছেন দ্বীন মোহাম্মাদ দুখু।
অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন আমন্ত্রিত অতিথীরা।

অনুষ্ঠানটি আয়োজনে সহযোগিতা করেছে অন্বেষা প্রকাশনী, এফপিএবিডি এবং মিডিয়া পার্টনার হিসেবে ছিল সময় টিভি, এনটিভি, ক্যাম্পাস লাইভ, ভোরের কাগজ এবং বিডি মর্নিং নিউজ।’