ক্লাসে ঢুকে শিক্ষিকা পেটানো বখাটে কারাগারে

শিক্ষিকাকে ক্ল‍াসে ঢুকে লোহার খন্তা দিয়ে পিটিয়ে এক শিক্ষিকার হাত-পা ভেঙে দেওয়ার ঘটনায় আটক আহসান উল্লাহ টুটুলকে (৩০) কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৫ মার্চ) বিকেলে পটিয়া আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহিতুল ইসলাম এ আদেশ দেন।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আহসান উল্লাহ টুটুলকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন জানিয়েছিল পুলিশ। আদালত বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) রিমান্ড আবেদনের উপর শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পটিয়া থানার এসআই মো. কামাল হোসেন বলেন, শিক্ষিকা মিসফা সুলতানাকে ক্লাসে ঢুকে খন্তা দিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার ঘটনায় আটক টুটুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ডে চেয়েছিলাম। আদালত বৃহস্পতিবার শুনানির ‍আদেশ দিয়েছেন। টুটুলকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) সকালে পটিয়ার দক্ষিণ ভূর্ষি ‌ইউনিয়নের পূর্ব ডেঙ্গামারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মিসফা সুলতানার (২৫) উপর হামলা চালায় বখাটে টুটুল। এতে ওই শিক্ষিকার দুই ‍হাত এবং বাম পা ভেঙে যায়।

পরে পটিয়া থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে বেলা ১২টার দিকে ওই এলাকা থেকে টুটুলকে গ্রেফতার করে। আটক টুটুল একই এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে।

আহত শিক্ষিকাকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগে তার বাবা মুক্তিযোদ্ধা নুর মোহাম্মদ বাদি হয়ে থানায় মঙ্গলবার রাতে আহসান উল্লাহ টুটুলের বিরুদ্ধে দন্ডবিধির ৩২৩, ৩২৫, ৩০৭, ৩৫৪ ও ৫০৬ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে চমেক হাসপাতালের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে মিসফা সুলতানা চিকিৎসাধীন আছেন।