সুর পাল্টালেন ট্রাম্প!

‘এক চীন নীতি’ প্রশ্নে নিজের আগের অবস্থান থেকে সরে এলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে ফোনালাপে ট্রাম্প তাঁর এই মনোভাবের কথা জানিয়েছেন। এই ফোনালাপে দুই নেতা নানা বিষয়ে কথা বলেন। খবর বিবিসির।
চীন সরকারের ‘এক চীন নীতি’ ট্রাম্পের পূর্বসূরিরা মেনে নিলেও নির্বাচনে জয়লাভ করার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে গত ডিসেম্বরে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনালাপের সময়ও ট্রাম্প ‘এক চীন নীতি’ নিয়ে নিজের সংশয়ের কথা প্রকাশ করেন। তিনি বলেছিলেন, ‘সবকিছু নিয়েই সমঝোতা সম্ভব, এক চীন নীতি নিয়েও।’
ওই সময় ট্রাম্পের এ বক্তব্যকে শিষ্টাচার বহির্ভূত উল্লেখ করে এর প্রতিবাদ জানায় চীন। কারণ তাইওয়ানকে নিজের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলেই মনে করে চীন। বেইজিংয়ের মতে, তাইওয়ান চীনের প্রদেশ, কিন্তু এটি বেরিয়ে গেছে। ভবিষ্যতে আবার চীনের সঙ্গে একত্রিত হবে।

গত ২০ জানুয়ারি ক্ষমতা গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো বৃহস্পতিবার চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বললেন ট্রাম্প। যদিও এর মধ্যে আরও অনেক রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গেই তিনি টেলিফোনে আলাপ করেছেন।

হোয়াইট হাউস জানায়, টেলিফোনে দুই দেশের প্রেসিডেন্টের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তারা এটিকে ‘অত্যন্ত আন্তরিক’ বলে চিহ্নিত করে বলে, দুই নেতা সাক্ষাতের জন্য একে অপরকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

বেইজিং থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, এক চীন নীতির স্বীকৃতি দেওয়ায় ট্রাম্প প্রশংসার যোগ্য। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক একটি ঐতিহাসিক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়।

এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে তাইওয়ান। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি বলেও জানায় তারা।