বার্তাবাংলা ডেস্ক »

gonojagoron monchoবার্তবাংলা রিপোর্ট  :: যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে শাহবাগের গণজাগরণ চত্বরের গণআন্দোলনের ২৮তম দিনে সোমবার আরো জোরদার নিরাপত্তা দিচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

নিরাপত্তা বলয় না অতিক্রম করে কাউকে গণজাগরণ মঞ্চের কাছাকাছি আসতে দেওয়া হচ্ছে না। প্রতি মুহূর্তে আন্দোলনে শরিক হওয়া মানুষদের প্রতি কড়া নজর রাখা হচ্ছে।

স্থায়ী মঞ্চের নিরাপত্তা যাচাই করা হচ্ছে দফায় দফায়। সেটিতে এখন কাপড়ের ঘের লাগানোর কাজ চলছে।
মঞ্চের অদূরেই সাজোয়া যান রাখা হয়েছে একটি। বহাল আছে অস্থায়ী সাব-কন্ট্রোল রুমও।

নিরাপত্তা জোরদারের কারণ জানতে চাইলে পুলিশ সদস্যরা জানান, হরতালের যে কোনো নাশকতা ঠেকানোরে উদ্দেশ্যতো আছেই, সেই সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির নিরাপত্তার বিষয়টিতেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সমাবর্তনের কারণে পুরো এলাকার নিরাপত্তায় পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তারা।

এদিকে মঞ্চে চলছে খালি গলায় স্লোগান। ‘গাড়ি চলছে, দোকানপাট খুলছে, যেখানেই জামায়াত-শিবির, সেখানেই প্রতিরোধ,’- সহ নানা রকমের স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। হরতাল প্রতিরোধে সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা।

মঞ্চটি কখনোই খালি থাকছে না। আন্দোলনকারীরা শুধু নন, সাধারণ মানুষেরাও এসে স্লোগান দিচ্ছেন, নতুন নতুন স্লোগান যোগ করছেন।

জামায়াত নেতা কাদের মোল্লাসহ যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে শাহবাগের গণজাগরণ চত্বরের গণআন্দোলনের ঢেউ দেশের সীমানা ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে প্রবাসেও। নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ এ দাবির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করছেন। প্রতিদিনই যেন বাড়ছে এ গণজোয়ারে আসা মানুষের সংখ্যা।

কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন সাজার রায় প্রত্যাখ্যান করে গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে শাহবাগ মোড়ে এ বিক্ষোভের সূচনা করে ব্লগার ও অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট নেটওয়ার্ক। এর পর বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের জনতা এ গণআন্দোলনে যোগ দেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ লড়াই চলবে বলেও ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »