বার্তাবাংলা ডেস্ক »

gonojagoron monchoবার্তাবাংলা ডেস্ক :: শাহবাগের গণজাগরণ চত্বর থেকে হরতালবিরোধী গণমিছিল কাঁটাবন হয়ে নীলক্ষেত, পলাশীর মোড়, বুয়েট, চানখারপুল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, দোয়েল চত্বর ও টিএসসি ‍প্রদক্ষিণ করে আবার শাহবাগে ফিরে এসেছে।

রোববার বেলা ১১টা ১০ মিনিটে হরতালবিরোধী এ মিছিল শুরু হয়। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ফিরে আসে শাহবাগে।

মিছিলে হাজার হাজার ছাত্র-জনতা অংশ নেন। গণমিছিল থেকে হরতালবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে স্লোগান দেন আন্দোলনকারীরা।

মিছিলে অংশ নেওয়া ছাত্রনেতাদের মধ্যে ছিলেন ছাত্রলীগের সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ, ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি এসএম শুভ, জাসদ ছাত্রলীগের সভাপতি হোসাইন আহমেদ তাফসির, ছাত্রমৈত্রী সভাপতি বাপ্পাদিত্য বসু প্রমুখ।

গণমিছিলের সামনে-পেছনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

জামায়াতের নেতা আব্দুল কাদের মোল্লাসহ যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি ও জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের দাবিতে শাহবাগের গণজাগরণ চত্বরের গণআন্দোলনের ২৭তম দিনে বের হয় হরতালবিরোধী এ গণমিছিল।

গত ২১ ফেব্রুয়ারি গণজাগরণ মঞ্চের মহাসমাবেশ থেকে মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়া হয়। এর মধ্যে হরতালের দিনগুলোতে হরতালবিরোধী মিছিলের কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

শাহবাগের তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের ঢেউ দেশের সীমানা ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে প্রবাসেও। নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ এ দাবির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করছেন। প্রতিদিনই যেনো বাড়ছে এ গণজোয়ারে আসা মানুষের সংখ্যা।

কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন সাজার রায় প্রত্যাখ্যান করে গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে শাহবাগ মোড়ে এ গণআন্দোলনের সূচনা করে ব্লগার ও অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট ফোরাম। এরপর বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের জনতা এ আন্দোলনে যোগ দেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ লড়াই চলবে বলেও ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »