বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে আরও দুটি হাট চায় ত্রিপুরা

ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে আরও দুটি হাট চাইছে ত্রিপুরা। বর্তমানে ত্রিপুরা অংশে বাংলাদেশের ছাগলনাইয়া ও ভারতের শ্রীনগর সীমান্তে এবং বাংলাদেশের তারাপুর ও ভারতের কমলাসাগর সীমান্তে দুটি হাট রয়েছে। এ দুটো হাটের পাশাপাশি ত্রিপুরার রাগনা ও বাংলাদেশের বাটুলি এবং ত্রিপুরার কমলপুর ও বাংলাদেশের খুরমা সীমান্তে দুটি হাটের দাবি রাজ্যের।

ত্রিপুরা সরকারের শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের যুগ্ম অধিকর্তা স্বপ্না দেবনাথের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ১১ জুন থেকে চলতি বছরের ৩১ মার্চ অবধি ছাগলনাইয়া-শ্রীনগরে ভারতীয় পণ্য বিক্রি হয়েছে ১ কোটি ৯৬ লাখ ১২ হাজার রুপির। আর একই সময়ে বাংলাদেশের পণ্য বিক্রি হয়েছে মাত্র ৭৯ লাখ ৬৭ হাজার রুপির। কমলাসাগর-তারাপুর সীমান্ত হাটে ভারতীয় সামগ্রী বিক্রির পরিমাণ ৪ কোটি ২০ লাখ ৫২ হাজার এবং বাংলাদেশি পণ্য ১ কোটি ৩১ লাখ ২ হাজার রুপির।

বিক্রির এই ভারসাম্যহীনতার জন্য বাংলাদেশি পণ্যের চাহিদা ও জোগানকেই দায়ী করছেন স্বপ্না দেবনাথ। তাঁর মতে, চাহিদার কথা মাথায় রেখে বাংলাদেশি পণ্য তেমন একটা সীমান্ত হাটে দেখা যাচ্ছে না। বরং ভারতীয় পণ্যেরই কদর বেশি বাংলাদেশিদের মধ্যে। সীমান্ত হাটের বেচা-কেনায় উৎসাহী ত্রিপুরা সরকারের শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তর এখন চাইছে রপ্তানি বাণিজ্যের সাফল্য ঘরে তুলতে।