পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে হত্যা উদ্দেশ্য ছিল না!

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলায় একটি স্পিনিং মিলে ইয়ামিন নামে (১৫) একটি শিশুর পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সহকর্মী রায়হান হৃদয় (১৮) আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের এস আই হাসিমউদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুল ইসলামের আদালতে রায়হান হৃদয়ের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

এতে তিনি স্বীকার করেছেন, কাজ শেষে কম্প্রেশার মেশিন দিয়ে ইয়ামিনের শরীরে থাকা তুলা পরিষ্কারের সময় অসাবধানতাবশত পায়ুপথে বাতাস ঢুকে যায়। তখন সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এটার পেছনে কোনো উদ্দেশ্য ছিল না।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে ইয়ামিনের বাবা শাহজাহান মিয়া বাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর আগেই বুধবার রাতে ঘটনার পরেই পুলিশ রায়হান হৃদয়কে গ্রেপ্তার করে। সে সোনারগাঁওয়ের মাহমুদপুর এলাকার নুরুল হকের ছেলে।

সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর কাদের মামলার বরাত দিয়ে জানান, গত ৬ মাস আগে ইয়ামিন কারখানায় যোগ দেয়। বুধবার রাতে ফিনিশিং বিভাগের রায়হান হৃদয় কম্প্রেশার মেশিন দিয়ে ইয়ামিনের শরীরের তুলা পরিষ্কারের সময় পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে দেয়। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নিলে সে মারা যায়।

ওসি আরও জানান, মামলায়ও হত্যার উদ্দেশ্যেই কম্প্রেশার মেশিন দিয়ে বাতাস প্রবেশের বিষয়টি উল্লেখ নেই।

বুধবার রাতে সোনারগাঁওয়ের মৈষটেক এলাকাতে বিআর স্পিনিং মিলে ওই ঘটনা ঘটে। নিহত ইয়ামিন (১৬) জেলার আড়াইহাজার উপজেলার বগাদি এলাকার শাজাহান মিয়ার ছেলে।