পবিত্র মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে খালেদার শুভেচ্ছা

আইয়ামে জাহেলিয়াতের অন্ধকার যুগ দূর করে অত্যাচার ও জুলুম-নির্যাতন বরণ এবং সত্য ও ন্যায়কে সুপ্রতিষ্ঠিত করে মানবজাতিকে আলোর পথ দেখিয়েছিলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)। সমাজে অবহেলিত, নির্যাতিত, বঞ্চিত ও দু:খী মানুষের সেবা, পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন, পরমত সহিষ্ণুতা, দয়া ও ক্ষমাগুণ, শিশুদের প্রতি দায়িত্ব এবং নারী জাতির মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় মহানবী (সা.) এর আদর্শ অতুলনীয় এবং তাই তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব হিসেবে অভিষিক্ত।

পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সোমবার দুপুরে গণমাধ্যমে প্রেরিত বাণীতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, মহান আল্লাহ বিশ্ব জগতের রহমত স্বরূপ হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে এই জগতে প্রেরণ করেন। বিশ্বনবীর আবির্ভাবে পৃথিবীতে মানুষ ইহলৌকিক ও পরলৌকিক জগতের মুক্তির সন্ধান পায় এবং নিজেদের কল্যাণ ও শান্তির নিশ্চয়তা লাভ করে। সমাজে বিদ্যমান শত অনাচার ও কদর্যতার গ্লানি উপেক্ষা করে মহানবী মোহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ্ (সা.) মানুষের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।

খালেদা জিয়া বলেন, মহানবী (সা.) মানব জাতির জন্য এক উজ্জল অনুসরণীয় আদর্শ। নিজ যোগ্যতা, সততা, মহানুভবতা, সহনশীলতা, কঠোর পরিশ্রম, আত্মপ্রত্যয়, অসীম সাহস, ধৈর্য, সৃষ্টিকর্তার প্রতি অগাধ বিশ্বাস, নিষ্ঠা ও অপরিসীম দুঃখ যন্ত্রণা ভোগ করে তার উপর অবতীর্ণ সর্বশ্রেষ্ঠ মহাগ্রন্থ আল-কোরআনের বাণী তথা তওহীদ প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব পালন করেন।

বাণীতে তিনি বলেন, ‘আমি আল্লাহ রাব্বুল আল-আমিনের নিকট প্রার্থনা করি মহানবী (সা.) এর শিক্ষা, আদর্শ ও ত্যাগের মহিমা আমরা সবাই যেন নিজেদের জীবনে প্রতিফলন ঘটাতে পারি।’

এছাড়া বাণীতে বেগম জিয়া পবিত্র মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের মুসলিম ভাই-বোনদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। পাশাপাশি শেষ নবী সাইয়েদুল মুরছালিন হযরত মোহাম্মদ (সা.) এর জন্য অসংখ্য দরুদ ও তাঁর প্রতি সালাম জানান সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।