আনিস হত‌্যা: দুই জনের ফাঁসির রায়

ঢাকার পল্লবীতে মোবাইল ফোনের জন‌্য মো. আনিস নামের ২২ বছর বয়সী এক তরুণকে হত্যার দায়ে দুই জনের ফাঁসির রায় দিয়েছে আদালত।

বুধবার ঢাকার ৪ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবদুর রহমান সরকার তিন বছর আগের এই হত‌্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন।

দুই আসামির মধ‌্যে শমসের রায়ের সময় কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। অপর আসামি লালু শুরু থেকেই পলাতক।

সর্বোচ্চ সাজার আদেশের পাশাপাশি দুই আসামির প্রত‌্যেককে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন বিচারক।

২০১৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি পল্লবীতে আনিসকে গলা কেটে হত্যা করা হয়।

স্থানীয় একটি দর্জির দোকানে কাজ করতেন আনিস। তার বাড়ি চাঁদপুরের হবিগঞ্জে।

হত‌্যাকাণ্ডের পরদিন তার ভাই মো. ফারুক পল্লবী থানায় এই মামলা দায়ের করেন।

মামলার বিবরণে বলা হয়, আসামিরা ‘জরুরি কথা আছে’ বলে সেই সন্ধ‌্যায় আনিসকে ডেকে নিয়ে যায়।

পদিন সকালে পল্লবীর ওয়াপদা বিল্ডিংয়ের মিল্কভিটা মাঠের পশ্চিম দিকে খালি জমিতে আনিসের গলা কাটা লাশ পাওয়া যায়।

রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, “কসাইরা যেভাবে পশু জবাই করে, এই আসামিরা একটি মোবাইল সেটের জন্য আনিসকে সেরকম নৃশংসভাবে হত্যা করেছে।”

“দেশে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না দিলে এ ধরনের নির্মম, নৃশংস ও অগ্রহণযোগ্য ভয়ঙ্কর হত্যার মত অভিশাপ থেকে সমাজকে মুক্ত করা সম্ভব নয়।”

এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মাহফুজুর রহমান লিখন জানান, রাষ্ট্রপক্ষের ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ৯ জনের সাক্ষ্য শুনে রায় দিয়েছে আদালত। আসামিপক্ষে কোনো সাক্ষী ছিল না।