বার্তাবাংলা ডেস্ক »

Sirajganj-20130228012613বার্তাবাংলা রিপোর্ট :: সিরাজগঞ্জের চন্ডিদাসগাতীতে পুলিশ ও র‌্যাবের সঙ্গে জামায়াত-শিবির কর্মীদের প্রায় ঘণ্টা ব্যাপী সংঘর্ষে অন্ততঃ ২০ জন গুলিবিদ্ধ ও ২জন নিহত হয়েছে। নিহতের পরিবার থেকে বিষয়টি প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ঠেকাতে জামায়াত-শিবিরের হরতাল চলাকালে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ-র‌্যাব পৃথকভাবে দু’শতাধিক টিয়ার গ্যাস, রাবার বুলেট ও চাইনিজ রাইফেল ও এসএমজির গুলি নিক্ষেপ করে। র‌্যাব-পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৩জনকে আটক করেছে।

ঘটনাস্থলে নিহত শিবিরকর্মী নুরুল্লাহ সরকার ওরফে মুক্তা(২২) সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের রাজা খাঁ’র চরের আলমগীর খানের ছেলে। অপরজন একই ইউনিয়নের চন্ডিদাসগাতী গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে শিবিরকর্মী রুহুল আমিন(১৫)।

রুহুল আমিন সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে অপারেশন থিয়েটারে মারা গেছে বলে হাসপাতালের আরএমও ফরিদ আহম্মেদ জানিয়েছেন।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলেও নতুন করে উত্তেজনার আশঙ্কায় সিরাজগঞ্জ-বগুড়া আঞ্চলিক মহাসড়কে পুলিশ-র‌্যাব মোতায়েন রয়েছে।

সিরাজগঞ্জ র‌্যাব-১২’র অপরাধ দমন বিশেষ শাখার অধিনায়ক সহকারী পুলিশ সুপার অশোক কুমার পাল জানান, র‌্যাব কমপক্ষে শতাধিক রাউন্ড রাবার বুলেট ও টিয়ার শেল গ্যাস নিক্ষেপ করে। পুলিশ-র‌্যাব ঘটনাস্থল থেকে ৩ জামায়াত-শিবির কর্মীকে আটক করে।

সিরাজগঞ্জের ডিবি পুলিশ রাকিব হাসান জানান, র‌্যাব-পুলিশ মিলে চায়নিজ ও এসএমজি মিলে ৩০ রাউন্ড, ১০০ রাউন্ড শর্ট গানের গুলি এবং ৫০ রাউন্ড টিয়ার শেল গ্যাস নিক্ষেপ করে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আল মামুন জানান, জামায়াত-শিবিরের পিকেটাররা পুলিশ-র‌্যাবকে লক্ষ করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। সাড়ে ১২টার দিকে পিকেটাররা পিছু হটলেও এখনও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। গুলিবিদ্ধ হবার কথা শুনেছি, কিন্তু কেউ মারা গেছে কি,না তা নিশ্চিত নই।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »