শীতে আর ফাটবে না পা

শীতকালে আরও অনেক সমস্যার পাশাপাশি পা ফাটা নিয়েও ঝামেলায় পড়েন অনেকেই। ফাটা পায়ে জ্বালা-পোড়া আর ব্যথা তো আছেই, সেই সাথে যুক্ত হয় পায়ের সৌন্দর্য্যহানীও। শীতে পা ফাটার ঘরোয়া প্রতিকার নিয়ে বিস্তারিত থাকছে এই লেখায়।

পা ফাটা রোধে ঘরোয়া প্রতিকার

পা ফাটা সমস্যার সমাধান ঘরে বসেই করে ফেলা যায়। প্রয়োজন শুধু সামান্য কিছু উপকরণ এবং ধৈর্য।

১. স্পেশাল ফুট মাস্ক : একটি বড় পাত্রে হালকা গরম জলে এক চামচ লবণ, কয়েক টেবল চামচ লেবুর রস, ১-২ চামচ গ্লিসারিন এবং গোলাপ জল ভালভাবে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণে দুই পা কমপক্ষে ১৫-২০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। পা নরম হয়ে আসলে ফেটে যাওয়া চামড়ার অংশ ফুট স্ক্রাবার দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করে ফেলুন।

২. পাকা কলা : পাকা কলা পা ফাটা সারিয়ে তুলতে পারে। পাকা কলা ভালভাবে চটকে পেস্টের মত তৈরি করুন। প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে এই পেস্ট পায়ের ফাটা অংশে লাগান। কিছুদিনের মধ্যেই পা ফাটা সেরে যাবে।

৩. নিয়মিত তেল ব্যবহার : পা যদি ঘন ঘন ফেটে যাওয়ার প্রবণতা থাকে তবে একে নিয়মিত যত্ন নিতে হবে। এক্ষেত্রে পায়ের আর্দ্রতা বজায় রাখার জন্য তেল লাগাতে পারেন। অলিভ অয়েল এবং কাঠবাদাম তেল পায়ে মাখলে পা ফাটা ও জ্বালা পড়া দ্রুত সেরে যায় এবং ভবিষ্যতে পা ফাটার প্রবণতা হ্রাস পায়। তবে তেল অবশ্যই রাতে ঘুমানোর আগে লাগাতে হবে।

৪. ভ্যাসলিন ও লেবুর রসের মিশ্রণ : পা ফাটা রোধের অনন্য সমাধান হতে পারে ভ্যাসলিন ও লেবুর রসের মিশ্রণ। হালকা গরম পানিতে ১৫-২০ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখুন। পা নরম হয়ে আসলে এতে এক চামচ পরিমাণ ভ্যাসলিন এবং ২-৩ টেবিল চামচ লেবুর রসের মিশ্রন লাগান। মিশ্রণটি এমন ভাবে লাগাবেন যেন তা পায়ের সব ফাটা স্থানে প্রবেশ করে।

৫. মধু : পা ফাটা রোধে মধু কার্যকর ভূমিকা রাখে। আধা বালতি গরম পানিতে কিছুটা মধু মিশিয়ে এতে ১৫ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখুন। পা নরম হয়ে আসলে ধীরে ধীরে ফাটা চামড়াগুলো ফুট স্ক্রাবারের সাহায্যে তুলে নিন।