টাম্পাকোতে উদ্ধারকাজে সেনাবাহিনী, মামলা দায়ের

গাজীপুরের টঙ্গীর টাম্পাকো কারখানায় আজ সোমবার সকাল থেকে ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে উদ্ধারকাজে যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনী। এদিকে, গতকাল রোববার রাতে আরও দুটি লাশ উদ্ধার করায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩১-এ দাঁড়িয়েছে। বিসিক শিল্প এলাকায় অবস্থিত কারখানাটিতে অগ্নিকাণ্ড ও ধসে পড়ার ঘটনায় গতকাল রাতেই মালিকসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

উদ্ধারকাজে সেনাবাহিনী
ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক দেবাশীষ বর্ধন জানান, গতকাল রাত সাড়ে নয়টার দিকে লে. কর্নেল মো. শফিউল আজমের নেতৃত্বে ১৪ স্বতন্ত্র ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেডের সেনাসদস্যরা কারখানাটির অবস্থা পর্যবেক্ষণে আসেন। পর্যবেক্ষণ শেষে পরিকল্পনা অনুযায়ী, আজ সকাল থেকে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। সেনাবাহিনীর দল প্রথমে কারখানার পূর্ব পাশে রাস্তায় ধসে পড়া ভবনের অংশ সরিয়ে ফেলার কাজ শুরু করেছে। ধসে যাওয়া ওই স্থান থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই স্থানে আরও লাশ আছে।

মৃতের সংখ্যা ৩১
ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক দেবাশীষ বর্ধন বলেন, গতকাল রাত দেড়টার দিকে ওই কারখানা থেকে আরও দুটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১-এ।

মালিকসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা
টঙ্গী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ তালুকদার বলেন, বিস্ফোরণ থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত জুয়েল মিয়ার বাবা মো. আবদুল কাদের বাদী হয়ে গতকাল রাতে টঙ্গী মডেল থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় কারখানার মালিক সিলেট-৬ আসনের সাবেক সাংসদ সৈয়দ মকবুল হোসেনকে প্রধান আসামি এবং আরও সাতজনের নাম আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এখন পর্যন্ত নিখোঁজ ১২
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এস এম আলম জানিয়েছেন, টঙ্গীতে তাদের নিয়ন্ত্রণকক্ষে এখন পর্যন্ত ১২ জন নিখোঁজের তালিকা করা হয়েছে।

গত শনিবার সকালে টঙ্গীর বিসিক শিল্পনগরীর টাম্পাকো ফয়েলস লিমিটেড নামের ওই কারখানায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে কারখানায় আগুন ধরে যায়।