বার্তাবাংলা ডেস্ক »

Hartal-birodi-sm20130223221118বার্তাবাংলা ডেস্ক ::জামায়াত নিয়ন্ত্রিত ইসলামী দলগুলোর ডাকা রোববারের সকাল-সন্ধ্যা হরতালের প্রতিবাদে শাহবাগের গণজাগরণ চত্বর থেকে বের করা হরতালবিরোধী গণমিছিলে জনতার ব্যাপক অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে।

সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে শুরু হওয়া মিছিলে আন্দোলনকারীসহ হাজার হাজার মানুষ অংশ নিয়েছেন। মিছিলে ছাত্র ইউনিয়ন, যুব ইউনিয়ন, ছাত্রমৈত্রী, ছাত্রলীগ (জাসদ), ছাত্র ফেডারেশন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট, বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রী, ছাত্র আন্দোলন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। সকাল ৯টার দিকে সংহতি জানাতে গণজাগরণ চত্বরে আসা শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়াও মিছিলে অংশ নেন।

গণমিছিলটি গণজাগরণ চত্বর থেকে শুরু হয়ে মৎস্য ভবন, জাতীয় প্রেসক্লাব, পল্টন ও দৈনিক বাংলার মোড় হয়ে একই রুটে আবার শাহবাগে গিয়ে শেষ হয় সকাল পৌণে ১১টায়।

গণমিছিল থেকে ১৪ পুরনো পল্টন ভবনে অবস্থিত ইসলামী ব্যাংককে লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়া হয়। তবে এতে তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বে গণআন্দোলনের ২০তম দিন রোববার পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ হরতালবিরোধী গণমিছিল করা হয়। এছাড়া চলছে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি। গণমিছিল ছাড়াও ভোর থেকেই হরতালবিরোধী নানা স্লোগানে মুখরিত গণজাগরণ চত্বর।
তবে সারা দেশে কয়েকটি ইসলামী দলের সকাল-সন্ধ্যা হরতাল তেমন সাড়া নেই। হরতাল আহবানকারীদের তেমন পিকেটিং দেখা যায়নি। অন্য হরতালের তুলনায় এ হরতালে জনজীবন অনেকটা স্বাভাবিক।

যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে গণজাগরণ চত্বরের এ গণআন্দোলনের ঢেউ দেশের সীমানা ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে প্রবাসেও। নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ এ দাবির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করছেন। প্রতিদিনই বাড়ছে এ গণজোয়ারে আসা মানুষের সংখ্যা।

কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন সাজার রায় প্রত্যাখ্যান করে গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে শাহবাগ মোড়ে এ বিক্ষোভের সূচনা করে ব্লগার ও অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট ফোরাম। এরপর বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের জনতা এ গণআন্দোলনে যোগ দেন।দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ লড়াই চলবে বলেও ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »