বার্তাবাংলা ডেস্ক »

1bg20130223060114বার্তাবাংলা ডেস্ক ::টাঙ্গাইল শহরের ভিক্টোরিয়া সড়কে অবস্থিত জামায়াত সমর্থক এক ব্যক্তির মালিকানাধীন কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারে অগ্নিসংযোগ করেছে দৃর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই এক ব্যক্তি মারা গেছেন। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।

নিহত ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়নি।

তবে ক্ষতিগ্রস্ত কসমস কম্পিউটার সেন্টারের মালিক শওকত হোসেন ইমরানের দাবি, আগুনে পুড়ে দুইজন মারা গেছেন।

শনিবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেলে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১৪ দলের নেতাকর্মীরা শহরে একটি পতাকা মিছিল বের করেন। মিছিলটি  ভিক্টোরিয়া সড়কের পোস্ট অফিসের সামনে পৌঁছালে এর একশ’ গজ দূরে অবস্থিত কসমস কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারে ঢুকে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় ২০/২৫ জন দুর্বৃত্ত। এসময় তারা সেখানে একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটালে বিকট শব্দে লোকজনের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়।

এদিকে, খবর পেয়ে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু ততক্ষণে আগুনে পুড়ে কম্পিউটার সেন্টারের ভেতরে থাকা এক ব্যক্তি ঘটনাস্থলেই মারা যান। এঘটনায় আহত হন অন্তত ১০ জন। তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাতে এদের মধ্যে চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।

আশপাশের ব্যবসায়ীরা জানান, কসমস কম্পিউটারের মালিক শওকত হোসেন ইমরান জামায়াতের সমর্থক ছিলেন। এছাড়া তিনি মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর খোদাই-খেদমতগার সংগঠনের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক।

অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী।

শওকত হোসেন ইমরানের অভিযোগ, সারাদেশে জামায়াতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যেভাবে হামলা চালানো হচ্ছে তারই ধারাবাহিকতায় এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তবে জামায়াতের সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম আগুনে পুড়ে একজন মারা গেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন।

ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »