বার্তাবাংলা ডেস্ক »

sm20130221050246বার্তাবাংলা ডেস্ক :যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে অমর একুশে ফেব্রুয়ারিতে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে স্থাপিত গণজাগরণ মঞ্চে হাজারো মানুষের ঢল নেমেছে। সেখানে সবাই স্লোগানে গানে কবিতা ও নাটিকায় রাজাকারদের ফাঁসির দাবিতে প্রকম্পিত করে তুলছে পুরো এলাকা।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে গণজাগরণ মঞ্চে অবস্থান কর্মসূচি শুরু হলেও দুপুরের পর থেকেই স্বাধীনতার চেতনায় উদ্দীপ্ত জনতার মিছিল বাড়তে থাকে।

টানা স্লোগান ও মিছিলের ক্লান্তি ধুয়ে প্রতিবাদী আন্দোলনকারীরা নগরীর ও আশপাশের এলাকা থেকে স্লোগানে স্লোগানে মিছিল নিয়ে জড়ো হচ্ছেন গণজাগরণ মঞ্চে। যেন সব পথ এসে মিলে গেছে প্রেসক্লাব চত্বরে।

চট্টগ্রামে ১৬তম দিনের কর্মসূচি উদীচীর বিভিন্ন জাগরণের গান দিয়ে শুরু হয়।এরপর খণ্ড খণ্ড দলে স্লোগান ও গানে দাবি জানাচ্ছেন ‘রাজাকারের ফাঁসি চাই’।

এরসঙ্গে সংহতি জানিয়ে আসছেন বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের  শিক্ষার্থীরা। শুধু শিক্ষার্থীই নয় যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে এক হতে এসেছেন নারী-পুরুষ-কিশোর-তরুণী-যুবাসহ সব বয়সের মানুষ।

মা-বাবার সঙ্গে এসেছে শিশুও। তাদের গালে একুশে ফেব্রুয়ারির স্মৃতির মিনার আর মাথায়ও শোভা পাচ্ছে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি সম্বলিত প্লাস্টিকের ব্যাণ্ড।

তাদের আগমনে জনতার স্রোত গণজাগরণ মঞ্চ পেরিয়ে আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে।

গত ৫ ফেব্রুয়ারি জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কাদের মোল্লাকে যুদ্ধাপরাধের মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

এ রায় প্রত্যাখ্যান করে চট্টগ্রামের `সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী তরুণ উদ্যোগ` নামে একটি ষংগঠন ব্লগার ও অনলাইন একটিভিস্ট ফোরামকে নিয়ে প্রথম এ কর্মসূচি শুরু করে।

এরপর প্রতিদিনই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সেখানে সংহতি প্রকাশ করে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবি জানাচ্ছেন। ওই দিন থেকে এই আন্দোলন সার্বজনীন আন্দোলনে পরিণত হয়।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »