বার্তাবাংলা ডেস্ক »

Dating App

মেয়েলিপনার কারণে স্কুল থেকে ছিটকে পড়ে প্রায় ৮০ শতাংশ হিজড়া। সম্প্রতি দেশব্যাপী পরিচালিত হিজড়া জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক অবস্থার ওপর পরিচালিত জরিপের ফলাফলে এমন তথ্য ওঠে এসেছে।

১৩ জুলাই বুধবার রাজধানীর একটি রেস্টুরেন্টে প্রদর্শিত ফলাফলে দেখা যায়, ৭২ শতাংশ হিজড়া পরিবারের কারণে ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়। এর মধ্যে বাবাদের ভূমিকা থাকে সবচেয়ে বেশি।

ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও রাজশাহী অঞ্চলের ৪২৩ জন যৌন সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর সদস্যদের মধ্যে এ জরিপ পরিচালনা করা হয়। এর মধ্যে ২০ শতাংশ হিজড়া জনগোষ্ঠীর সদস্য অন্তর্ভুক্ত ছিল।

বন্ধু, ইউএসএইড-বাংলাদেশ এর আর্থিক সহযোগিতায় প্রস্তুতকৃত জরিপের ফলাফল উপস্থাপন করেন আন্তর্জাতিক গবেষক রাজেশ ঝা। ফলাফলে দেখা যায় পুলিশ স্টেশন, হসপিটাল, বাসা ভাড়া পেতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সমস্যা বা হয়রাণির শিকার হতে হয় যৌন সংখ্যলঘুদের।

পুলিশ স্টেশনে আটক করে নিয়ে আসার কারণও জানানো হয় না অনেক ক্ষেত্রে। জরিপে দেখানো হয়েছে, পুলিশ স্টেশনে এনে জামা-কাপড় ছিড়ে হয়রানিও করা হয় মাঝে মাঝে।

আয়ের উৎস হিসেবে অধিকাংশ হিজড়া যৌন পেশাকে বেছে নিতে পছন্দ করেন। যার পরিমাণ জরিপে অংশগ্রহণাকারীর প্রায় ৫০ শতাংশ। অংশগ্রহণকারীদের মতে পেটের দায়ে বাধ্য হয়ে তারা এ কাজ করেন।

গত বছর জুন-থেকে জুলাই পর্যন্ত প্রথমবার তাদের ওপর একটি জরিপ পরিচালনা করা হয়। ঠিক এক বছর পর আবার একই জরিপ পরিচালিত হয়।

তুলনামূলকভাবে দেখা গেছে, আগের চেয়ে সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে এবং নিজেদের গোষ্ঠীর মধ্যে তাদের যোগাযোগ বাড়ছে। কয়েকটি সূচকের ভিত্তিতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে এ জরিপ চালানো হয়।

বন্ধুর চেয়ারপাসন আনিসুল ইসলাম হিরোর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ও হিজড়া প্রকল্পের পরিচালক আবদুর রাজ্জাক হাওলাদার, হিজড়া জনগোষ্ঠীর মানবাধিকার রক্ষায় অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মাননা পাওয়া সিলেটের শোভা এবং কয়েকজন যৌন সংখ্যালঘু সদস্য।

বন্ধুর লিয়াজোঁ অফিসার অনন্যা বণিকের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. গোলাম আজাদ খান।

Dating App
শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »