শহীদদের উদ্দেশ্যে আকাশের ঠিকানায় উড়লো বেলুন » Leading News Portal : BartaBangla.com

বার্তাবাংলা ডেস্ক »

বার্তাবাংলা রিপোর্ট:  প্রজন্ম চত্বর থেকে আকাশে বেলুন উড়ল শহীদদের উদ্দেশ্যে। বিকাল ৪ টা১৩ মিনিটে সারা দেশে একযোগে শহীদদেরে উদ্দেশ্যে চিঠি সংবলিত এসব বেলুন আকাশে উড়ানো হয়। ‘প্রিয় বীর শহীদেরা, মুক্তিযুদ্ধের সময় সারা বিশ্ব দেখেছে তোমাদের বীরত্ব। এখন ওই দূর আকাশে বসে তোমরা আমাদের যুদ্ধ দেখ। তোমরা দিয়েছ স্বদেশ। সেই প্রিয় স্বদেশ ভূমিকে যুদ্ধাপরাধীমুক্ত করার যুদ্ধ এখন আমাদের।’ মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি এমন চিঠি লিখে কিছুটা হলেও ঋণ শোধের চেষ্টা ছিলো এ প্রজন্মের তরুণদের। ঋণ শোধের তাগিদে ৩০ লাখ শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা-ভালোবাসা আর তাদের স্বপ্ন পূরণের অঙ্গীকারের চিঠি পাঠানো হলো আকাশের ঠিকানায়।
স্বাধীনতার ৪১ বছর পর জনতার জাগরণের চিঠি গেল শহীদদের ঠিকানায়। ঘড়ির কাঁটা ৪টা ১৩ ছুঁঁতেই শহীদদের উদ্দেশ্যে লেখা চিঠি নিয়ে হাজারো বেলুন উড়লো আকাশে। যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি আর জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে শাহবাগে চলমান গণআন্দোলনের ১৬তম দিনে গতকাল বুধবার এই কর্মসূচি পালন করা হয়। এসময় সেøাগানে সেøাগানে প্রকম্পিত হয় পুরো প্রজন্ম চত্বর ও আশপাশের এলাকা। সমবেত কণ্ঠে ধ্বনিত হয় ‘জয় বাংলা’। আজ বৃহস্পতিবার মহান ২১ শে ফেব্রুয়ারি মহাসমাবেশ পালিত হবে। সেই মহাসমাবেশ থেকে ঘোষণা করা হবে আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি।
শহীদদের কাছে চিঠি পাঠানোর মুহূর্তটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাঙালির বিজয়ের সেই মাহেন্দ্রণ। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকাল ৪টা ১৩ মিনিটে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে যৌথবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। ৪১ বছর পর নতুন প্রজন্ম শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করলো সেই সময়কে। যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে আন্দোলনের ১৬তম দিনেও তারুণ্যের অগ্নিঝরা কণ্ঠে সেøাগান সেøাগানে উত্তাল ছিলো প্রজন্ম চত্বর। গণজাগরণে একাত্মতা জানাতে আসেন সব বয়সের মানুষ। সকল যুদ্ধাপরাধীর বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবার প্রত্যয় ছিলো তাদের কণ্ঠে। গুণীজন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিল্পীরাও আসেন উদ্দীপনা জোগাতে। যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে তারা জনতার সঙ্গে কণ্ঠ মেলান। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শাহবাগে বাড়তে থাকে আন্দোলনকারীদের ভিড়। নানা সেøাগানে মুখরিত হয় শাহবাগ।

শেয়ার করুন »

লেখক সম্পর্কে »

মন্তব্য করুন »