ঈদের পরই সাসেক্সের হয়ে খেলতে ইংল্যান্ড যাচ্ছেন মুস্তাফিজ

মুস্তাফিজ কবে ইংল্যান্ডে উড়াল দিচ্ছেন এখনো নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি। তবে তাঁর ভিসা-প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এরই মধ্যে। সব ঠিক থাকলে ১৩ জুলাই সাসেক্সের হয়ে খেলতে উড়াল দিতে পারেন বাঁহাতি পেসার। বিসিবি মিডিয়া কমিটির সভাপতি জালাল ইউনুস এমনটিই বলেছেন সংবাদমাধ্যমকে। গেলে ন্যাটওয়েস্ট টি-২০ ব্লাস্ট ও রয়্যাল লন্ডন ওয়ানডে কাপের চারটি ম্যাচে খেলার সুযোগ পাবেন এই বাঁহাতি পেসার। এর আগে সাসেক্স জানিয়েছিল, ১৫ জুলাই মুস্তাফিজের ​অভিষেক হতে পারে তাদের হয়ে।

মুস্তাফিজ কী ভাবছেন কাউন্টি খেলা নিয়ে? প্রত্যয়টা বেশ বোঝা গেল, ‘ইংল্যান্ডে গিয়ে খেলতে পারলে ভালো লাগবে। সুযোগ পেলে চেষ্টা থাকবে সেরাটা দেওয়ার।’ কাউন্টি ক্রিকেটে তাঁকে পেলে সাসেক্স উপকৃত হবে সন্দেহ নেই। কিন্তু মুস্তাফিজেরও অভিজ্ঞতা বাড়বে বৈকি। গ্রীষ্মের এই সময়টায় তুঙ্গে থাকা ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটের কন্ডিশনে খেলাও তাঁর জন্য হবে নতুন অভিজ্ঞতা। তা ছাড়া যত বেশি ড্রেসিংরুম শেয়ার করবেন, তত বেশি আত্মবিশ্বাস বাড়বে। এসব প্রাপ্তি তো থাকছেই।

২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি আর ২০১৯ বিশ্বকাপও ইংল্যান্ডে। এই দুই আসরে বাংলাদেশের সেরা অস্ত্র হতে পারেন যিনি, তাঁকে আরও বেশি করে কাউন্টিতে খেলার সুযোগ করে দেওয়ার পরিকল্পনাও করতে পারে বিসিবি। এবার অবশ্য তাঁর কাউন্টি যাত্রা আপাতত দীর্ঘ হবে না। তবে মেয়াদ পরে বাড়তে পারে বৈকি। মুস্তাফিজও তৈরি হচ্ছেন নিজের সেরাটা নিয়ে ইংলিশ দর্শকদের সামনে হাজির হতে।

মুস্তাফিজের ‘সেরাটা’ মানে বুঝতেই পারছেন, প্রতিপক্ষের ত্রাহি দশা। কিন্তু ব্যাটসম্যানদের নাকাল করতে তূণে থাকা অস্ত্রগুলো কি শান দেওয়া হয়েছে ঠিকভাবে? আইপিএল থেকে ফিরেছিলেন চোট নিয়ে। ৯ জুন থেকে শুরু হয়েছে তাঁর পুনর্বাসন। শেষ হওয়ার কথা ৯ জুলাই। এরই মধ্যে নেটে বোলিংও করেছেন। শতভাগ ছন্দ ফিরে পেয়েছেন কি না পরিষ্কার না বললেও এ নিয়ে বেশ ইতিবাচক, ‘আপনাদের দোয়ায় সবকিছু ভালো যাচ্ছে। শুরুতেই বোলিং করতে পারিনি। এখন বোলিং করছি। সব মিলিয়ে ভালো আছি।’