বার্তাবাংলা ডেস্ক »

Dating App

মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি জানিয়েছেন, শিগগিরই নারী নির্যাতনকারী শনাক্তকরণ মোবাইল অ্যাপ চালু হচ্ছে। নির্যাতনের শিকার হতে যাচ্ছে বা অথবা হয়েছে, তাদের সহায়তা করবে এই অ্যাপটি। কয়েকটি নম্বরে এ অ্যাপ সংক্ষিপ্ত বার্তা পাঠাতে পারবে।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ইস্কাটনে মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান। মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে জানানোর জন্য এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি।
মোবাইল অ্যাপ সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে ন্যাশনাল হেল্পলাইন সেন্টার এ অ্যাপ আনতে যাচ্ছে। স্মার্টফোনে ব্যবহারযোগ্য এ অ্যাপের নাম ‘জয়: নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধে একটি আইসিটি ভিত্তিক টুল’। এতে পরিবার বা বন্ধুবান্ধবদের তিনটি মোবাইল নম্বর, সরকারের হেল্পলাইন ১০৯২১, কাছের থানা এবং পুলিশ কন্ট্রোল রুমের নম্বর সংরক্ষণ করা যাবে।
সমস্যায় পড়লে অ্যাপটির আইকনে স্পর্শ করলে এটি সংরক্ষিত নম্বরে সংক্ষিপ্ত বার্তা পাঠাবে। অ্যাপস স্বয়ংক্রিয়ভাবে আলাপচারিতা সংরক্ষণ করবে এবং নির্দিষ্ট সময় পরপর ছবি তুলবে। সব তথ্য মোবাইলে সংরক্ষিত থাকবে। মোবাইল ব্যবহারকারী অনলাইনে থাকলে তথ্য সরাসরি ন্যাশনাল হেল্পলাইন সেন্টারের সার্ভারে চলে যাবে। পরবর্তী সময়ে অপরাধীর অপরাধ প্রমাণে সহায়তা করবে। এ ছাড়া অ্যাপটিতে নারীর নিরাপত্তা ও অধিকার সম্পর্কিত তথ্য বাংলা ও ইংরেজিতে দেওয়া থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাছিমা বেগম জানান, পরীক্ষামূলকভাবে অ্যাপটি দেখা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে টঙ্গী, কেরানীগঞ্জ এবং যশোরে চলতি মাসের শেষ দিকে অ্যাপটি চালু করা হবে।
সচিব বলেন, অনেকেই মনে করতে পারেন, অপরাধীরা প্রথমেই মোবাইল কেড়ে নিয়ে ফেলে দেবে। তবে মোবাইলটি ঢিল দিতে দিতেই অপরাধীর ছবি উঠে যাবে। এটি নারী-পুরুষ উভয়েই ব্যবহার করতে পারবেন। শুধু নারী নির্যাতন নয়, যেকোনো ধরনের সহিংস ঘটনায় এর সহায়তা নেওয়া যাবে।

বেসরকারি উদ্যোগে চালু হবে শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি জানান, বেসরকারি উদ্যোগে, বিশেষ করে শিক্ষিত নারীরা যাতে এ ধরনের কেন্দ্র চালু করতে পারে, সে জন্য মন্ত্রণালয় একটি নীতিমালা তৈরি করবে। এতে করে পাড়া–মহল্লায় কর্মজীবী নারীরা পরিচিত একজনের কাছেই সন্তানকে রেখে কাজে যেতে পারবেন। উন্নত দেশে এ ধরনের ব্যবস্থা অনেক আগে থেকে চালু আছে।
সংবাদ সম্মেলনে মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাহিন আহমেদ চৌধুরী, পরিচালক জাহাঙ্গীর হোসেন এবং মন্ত্রণালয়ের নারী নির্যাতন প্রতিরোধকল্পে মাল্টিসেক্টরাল কার্যক্রমের প্রকল্প পরিচালক আবুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

Dating App
শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »