থাই বৌদ্ধ মন্দিরের ফ্রিজে ৪০ বাঘের বাচ্চার মরদেহ

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের পশ্চিমে কাঞ্চানাবুরি প্রদেশের একটি বৌদ্ধ মন্দির থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৪০টি মৃত বাঘের বাচ্চা। সেই মন্দিরের ফ্রিজে ছিল বাঘ শাবকের মরদেহগুলো।

মন্দিরটি বাঘ মন্দির হিসেবে পরিচিত। এখানে খাঁচায় বন্দি বাঘের সঙ্গে সেলফি তোলা পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ। তবে বন্যপ্রাণী পাচারের অভিযোগ ওঠায় সেখানকার বাঘগুলো সরকারের অধীনে আনার প্রচেষ্টা হচ্ছে ২০০১ সাল থেকে। তারই ধারাবাহিকতা সোমবার (৩০ মে) থেকে অভিযান শুরু হয়। বের করে আনা হয় জ্যান্ত বাঘ। সোমবার থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৫২টি বাঘ। তবে বুধবারই (০১ জুন) ঘটেছে বিপত্তি। বাঘ উদ্ধারের সময় মন্দিরের ভেতরে ফ্রিজ থেকে ৪০টি বাঘ শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

থাই বন অফিসের কর্মকর্তা অ্যাডিসর্ন নাচদামরং সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বুধবার জ্যান্ত বাঘগুলো বের করে আনার সময় মন্দিরের রান্নাঘরের একটি ফ্রিজ থেকে ৪০টি বাচ্চার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে কেন এখানে মৃত বাঘ ছিল তা জানা যায়নি।

এদিকে এ ব্যাপারে মন্দিরের বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের কোনো বক্তব্যও মেলেনি।

বন অফিসের কর্মকর্তারা মুখে মাস্ক পরে ওই দেহগুলো সংবাদমাধ্যমের সামনে আনেন। বাঘের বাচ্চার পাশাপাশি ‘বেয়ারক্যাট’ হিসেবে পরিচিত আরও একটি বিলুপ্ত জন্তুরও মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

বন্যপ্রাণী ও গাছগাছালি পাচারে থাইল্যান্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ঐতিহ্যবাহী চীনা ওষুধ তৈরিতে কাজে লাগানো হয় বাঘেদের শরীরের নানা অংশ। হতে পারে সে জন্যই হত্যা করা হয়েছে এতোগুলো বাঘ!