বার্তাবাংলা ডেস্ক »

43000_b3বার্তাবাংলা ডেস্ক ::রাঙ্গামাটিতে জেএসএসের ৬০ নেতাকর্মীকে অপহরণের অভিযোগ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি। জনসংহতি সমিতি অভিযোগ করে রাঙ্গামাটি শহর থেকে লংগদুতে ফেরার সময় নৌপথে একটি ইঞ্জিন চালিত বোটের গতিরোধ করে জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) ও অঙ্গ সংগঠনের ৬০ নেতাকর্মীকে অস্ত্র উঁচিয়ে অপহরণ করা হয়।
তারা আরও অভিযোগ করেন, শুক্রবার রাঙ্গামাটি শহরে জেএসএস’র ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন শেষে গতকাল সকালে লংগদু জেএসএস’র সাধারণ সম্পাদক মণিশংকর চাকমা, যুব সমিতির সাধারণ সম্পাদক জসো চাকমা, পিসিপি’র সভাপতি বিনয় সাধন চাকমা, সাধারণ সম্পাদক সুজন চাকমা ও সাংগঠনিক সম্পাদক অমর চাকমা সহ ৬০ নেতাকর্মী একটি ইঞ্জিনচালিত বোটযোগে লংগদুতে ফেরার সময় সকাল সাড়ে দশটায় বরকল উপজেলার বরুণাছড়ি ১০ নং এলাকায় পৌঁছলে এসময় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি (ইউপিডিএফ)-র সশস্ত্র গ্রুপ তাদের বোটের গতিরোধ করে অস্ত্র দেখিয়ে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। এদিকে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অপহরণের প্রতিবাদে রাঙ্গামাটি শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি, পাহাড়ি ছাত্রপরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম মহিলা সমিতি ও হিল উইমেন ফেডারেশন। গতকাল জনসংহতি সমিতি রাঙ্গামাটি জেলা কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে বনরূপা পেট্রল পাম্প এলাকা ঘুরে এসে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সহ-সভাপতি উষাতন তালুকদারের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি রাঙ্গামাটি জেলা কমিটির সভাপতি গুণেন্দু বিকাশ চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম মহিলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুপ্রভা চাকমা, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় জনসংহতি  কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক রিপেশ চাকমা।  সমাবেশে বক্তারা বলেন, ইউপিডিএফ আওয়ামী লীগের সরকারের আমলে সৃষ্ট সংগঠন। ইউপিডিএফকে দিয়ে সন্ত্রাসের যে আগুন পার্বত্য চট্টগ্রামে ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে সে আগুন শুধু জেএসএস না কেউ বাঁচতে পারবে না। অবিলম্বে ইউপিডিএফকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানান তারা এবং অপহৃতদের দ্রুত উদ্ধারের জন্য প্রশাসনকে তৎপরতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। এদিকে ইউপিডিএফের রাঙ্গামাটি জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক বাবলু চাকমা জানান, এরকম কোন ঘটনার সঙ্গে আমরা জড়িত নই।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »