সেঞ্চুরি হতে দিল না ‘নো বল’!

জয়ের জন্য গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের প্রয়োজন ১ রান। স্ট্রাইকে থাকা শামসুর রহমান তখন ৯৫ রানে। সেঞ্চুরি পেতে শামসুরের সামনে এক পথই খোলা ছিল, ছক্কা। পেসার আবদুল হালিমের তৃতীয় বলে সেটাই করলেন শামসুর। ছক্কা! সেঞ্চুরি হয়েই গেল গাজী গ্রুপের ওপেনারের!
কিন্তু সেঞ্চুরি উদ্‌যাপন করার আগেই থামতে হলো তাঁকে। হালিমের বলটি যে ছিল নো বল। ফলে তখনই ম্যাচ শেষ হয়ে গেছে, শামসুরের ছক্কাটি তাই রেকর্ডের কোথাও লেখা থাকবে না। স্কোরবোর্ডে কিছুক্ষণের জন্য ১০১ লেখার পরও তাই সেটি মুছে শামসুরের নামের পাশে তাই আবারও লিখতে হলো ৯৫ অপরাজিত!
ব্যাপারটিতে অনেকেই অবাক হতে পারেন। নো বল করলেও বলটি তো শেষ হয়নি, ওই বলেই তো ছক্কা মেরেছেন শামসুর। কিন্তু ক্রিকেটের আইনে লেখা আছে, একজন আম্পায়ার নো বল ডাকার সঙ্গে সঙ্গে সেটি রান হিসেবে যোগ হয়ে যায়। ফলে জয়ের জন্য মাত্র ১ রান প্রয়োজন এ রকম পরিস্থিতিতে নো বল হলেই ম্যাচ শেষ হয়ে যায়। ওই বলে পরবর্তী সময়ে যা–ই হোক না কেন, সেটি আর হিসাবে আনা হয় না।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও এ রকম ঘটনা ঘটেছে। ২০১০ সালে ডাম্বুলায় ভারত-শ্রীলঙ্কা ম্যাচে একই পরিস্থিতির শিকার হয়েছিলেন বীরেন্দর শেবাগ। ৯৯ রানে অপরাজিত ছিলেন শেবাগ। সুরাজ রনদিভের নো বলে ছক্কা মারার পরও সেঞ্চুরি পাননি। কারণ, ম্যাচ তো শেষ হয়ে গেছে বলটি তাঁর ব্যাটে আসার আগেই। সেদিন রনদিভের নো বল দেখে সবাই বুঝতে পেরেছিল সেটি ইচ্ছাকৃত। শেবাগকে সেঞ্চুরি–বঞ্চিত করতেই এই কাজ করেছেন এই অফ স্পিনার।
আজ হালিমের বলটি নিয়েও সে প্রশ্নই উঠেছে। কিন্তু নিয়মের বেড়াজালে সেঞ্চুরি না পেয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে এই ওপেনারকে। তাও তো সান্ত্বনা পাচ্ছেন শামসুর, দলকে জিতিয়েই ফিরলেন।