বার্তাবাংলা ডেস্ক »

tangailবার্তাবাংলা ডেস্ক :: টাঙ্গাইলে ছেলের সামনে মাকে ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ জনতার সাথে পুলিশের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এদের মধ্যে দুইজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ফলে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে স্থানীয় জনতা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করলে একপর্যায়ে এ সংঘর্ষ শুরু হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বিকালে ধর্ষকের বিচার চেয়ে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কে বিক্ষোভ বের করে ঘাটাইল ও কালিহাতী উপজেলার বিক্ষুব্ধ জনতা। এ সময় পুলিশ তাতে বাধা দিলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ শটগানের গুলি ছুঁড়লে অন্তত ১০ জন আহত হন। তাদের টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়।

এদের মধ্যে গুরুতর আহত দুইজনকে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতরা হলেন- ঘাটাইল উপজেলার সাতুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা ফারুক (৩২) ও কালিয়া গ্রামের আলহাজের ছেলে শামীম (৩৫)।

কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মাফুজা ইয়াসমিন সংঘর্ষে আহত দুইজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে সেখানে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

নির্যাতিতের স্বজনরা জানান, গত ১৫ সেপ্টেম্বর ঘাটাইল উপজেলার নিজ বাড়ি থেকে আল-আমিন ও তার মাকে জোরপূর্বক কালিহাতি উপজেলার সাতুটিয়া এলাকার তুলে নিয়ে যায় স্থানীয় রফিকুল ইসলাম রোমা ও তার সহযোগীরা। সেখানে একটি ঘরে তাদের আটকে রেখে বিবস্ত্র করে বেধড়ক মারধর করা হয়।
পরে আল-আমিনের মাকে ধর্ষণ করে বখাটে রোমা। খবর পেয়ে, ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষিতা ও তার ছেলেকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »