কোকোর লাশ সরাসরি গুলশান কার্যালয়ে আনা হবে

বার্তাবাংলা রিপোর্ট :: সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর লাশ বিমানবন্দর থেকে সরাসরি গুলশান কার্যালয়ে আনা হবে। বিমানবন্দরে লাশ গ্রহণ করবেন বিএনপির পাঁচ নেতা।

সোমবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এ কথা জানান।

তিনি বলেন, “কোকোর মরদেহ মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে (এমএইচ১০২) করে বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবে।”

মরদেহ গ্রহণ প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম খান বলেন, “বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল (স্থায়ী কমিটি ও ভাইস চেয়ারম্যান পদভুক্তরা) কোকোর মরদেহ গ্রহণ করবেন। এরপর বিমানবন্দর থেকে কোকোর মরদেহ বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে নিয়ে আসা হবে, যাতে করে তার মা (খালেদা জিয়া) ও আত্মীয়-স্বজনরা দেখতে পারেন।”

তিনি বলেন, “তবে গুলশান কার্যালয়ে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা এখানে আসতে পারবেন না। শুধুমাত্র পারিবারিক সদস্যরাই এখানে কোকোর মরদেহ দেখতে পারবেন।”

জানাজা সম্পর্কে নজরুল ইসলাম খান বলেন, “বিকেল চারটার মধ্যে কোকোর মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম মসজিদে নিয়ে যাওয়া হবে এবং বাদ আসর তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।”

পরে কিছুক্ষণ সর্ব সাধারণের দেখার জন্য কোকোর মরদেহ বায়তুল মোকাররম মসজিদে রাখা হবে। শেষে বনানী সামরিক কবরস্থানে তাকে দাফনের কথা রয়েছে।

নজরুল ইসলাম বলেন, “একজন সেনা কর্মকর্তার সন্তান হিসেবে ওখানে দাফন তার (কোকো) প্রাপ্য। আমরা লিখিতভাবে সেখানে দাফনের অনুমতি চেয়েছি। আশা করি, কোকোর মরদেহ আমরা সেখানে দাফন করতে পারবো।”

এক প্রশ্নের উত্তরে বিএনপির এই নেতা জানান, বনানীর সামরিক কবরস্থানে কোকোর মরদেহ দাফন করা যাবে কিনা, সে ব্যাপারে তাদের সংশয় রয়েছে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, “বাংলাদেশে ন্যায্য কাজ হচ্ছে না।”

কোকোর আকস্মিক মৃত্যুতে দেশি-বিদেশি যারা সমবেদনা জানিয়েছেন, এ সময় তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, আব্দুল্লাহ আল নোমান, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, উপদেষ্টা জয়নুল আবদিনসহ আরো অনেকে।