বার্তাবাংলা ডেস্ক »

Dating App

soprim cortবার্তাবাংলা ডেস্ক ::  পে কশিনের সুপারিশ অনুযায়ী নিম্ন আদালতের বিচারকদের অবসরের বয়সসীমা বৃদ্ধি না করার ফলে বিচারক সঙ্কটের আশঙ্কায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আপিল বিভাগ।

প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ তার উদ্বেগের কথা জানান। এ বিষয়ে দায়ের করা আলোচিত বিচারক মাসদার হোসেনের মামলার শুনানিকালে অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলমকে উদ্দেশ করে উদ্বেগ প্রকাশ করেন আদালত।

আদালত বলেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতের বিচারকদের অবসরের বয়সসীমা বৃদ্ধি না করা হলে ৪৮ জন জেলা ও দায়রা জজ অবসরে চলে যাবেন। এর ফলে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ও দক্ষ জেলা জজের এই শূন্য পদ পূরণ করা কঠিন হবে।

জুডিসিয়াল সার্ভিস পে কমিশনের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে এর আগে ২০১২ সালের ১ অক্টোবর নিম্ন আদালতের বিচারকদের অবসরের বয়সসীমা ৫৭ থেকে ৬২ বছরে উন্নীত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আদেশ দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ।

আদালতের ওই আদেশ বাস্তবায়নের বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, বিচারকদের বয়সসীমা বৃদ্ধির বিষয়ে প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী বিভাগের প্রধানের সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি।

পরে আদালত এ মামলার শুনানির জন্য ১৪ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত।

এ মামলার বিষয়ে বাদীপক্ষের প্রধান আইনজীবী ব্যারিস্টার আমির উল ইসলাম বলেন, ‘জুডিসিয়াল সার্ভিস পে কমিশনের সুপারিশের প্রেক্ষিতে সরকার বিচারকদের অবসরের বয়সসীমা বৃদ্ধির কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। তবে সকল সরকারি কর্মকর্তাদের অবসরের বয়সসীমা ৫৯ বছর করায় বিচারকদের অবসরের বয়সসীমাও বর্তমানে ৫৯ হয়েছে। কিন্তু বিচারকদের বয়সসীমা ৬২ করার ক্ষেত্রে কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। ’

তিনি আরো বলেন, ‘নিম্ন আদালতের বিচারকদের অবসরের বয়সসীমা বৃদ্ধির বিষয়টি আগামী শুনানির পূর্বেই বাস্তবায়ন করার পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় আমরা এই ৪৮ জন বিজ্ঞ বিচারকদের হারাবো। এতে বিচার বিভাগ ক্ষতির মুখে পড়বে।’

এতো অল্প সময়ে বাস্তবায়ন করার সম্ভব কি না জানতে চাইলে আমীর-উল ইসলাম বলেন, ‘এখনো যে সময় আছে তাতেও অবসরের বয়স বৃদ্ধি করে এ সকল বিচারকদের ধরে রাখা সম্ভব।’

Dating App
শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »