বার্তাবাংলা ডেস্ক »

womenবার্তাবাংলা রিপোর্ট :: পুরুষ শাসিত সমাজে অর্থনৈতিক পরাধীনতায় নারীকে দিনের পর দিন দাসত্বে পরিনত করেছে। দুর্বল করেছে তাদের চিত্তকে। মুকুলেই ঝরে গেছে হাজারো প্রতিভা। প্রয়োজনীয় শিক্ষা তো দূরের কথা, পর্যাপ্ত আলো বাতাসেরও দেখা মেলেনি অনেক নারীর ভাগ্যে। কিন্তু যুগের হাওয়া বদলে ডাক এসছে নারী ক্ষমতায়নের। এসেছে অর্থিক মুক্তির সুযোগ। স্বাক্ষরতাসহ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প গড়ে আজকাল অনেক নারীই হচ্ছেন স্বাবলম্বী। নকশি কাঁথা, সালোয়ার-কামিজ, শাড়ি, পাঞ্জাবিসহ নানা নকশি পণ্যের সুনাম এরই মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে দেশ-বিদেশে।

আমাদের দেশে সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এবং এনজিওর পক্ষ থেকে এসব প্রশিক্ষণ দেয়া হয়ে থাকে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- শতদল, দীপ্ত কুটির, সৃজন হস্তশিল্প, রংধনু, সূচিকা, কারুপল্লী, উত্তরণ, জীবিকা, কারুকা, সৈনিক, রওজা, পুষ্প, পারভীন, ছোঁয়া, স্বদেশ, সততা, অনন্ত ও হৃদি হস্তশিল্প। দেশের সর্বত্রই প্রায় এর বিস্তৃতি ছড়িয়ে পড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। হাজারের বেশি নারী কর্মী জড়িয়ে আছেন নকশি সূচি শিল্পের সঙ্গে। সুই-সুতায় নানা ডিজাইন, রং আর বর্ণে তারা ফুটিয়ে তোলেন নকশি কাঁথা, বিছানার চাদর, ফতুয়া, পাঞ্জাবি, শাড়ি, সালোয়ার-কামিজসহ নানা সূচিপণ্য।

উন্নতমানের এসব নকশি সূচিপণ্য এরই মধ্যে ঢাকাসহ দেশের সব বড় বড় শহরের বাজার দখল করেছে। একই সঙ্গে ক্রমবর্ধমান হারে এই পণ্যের প্রসার ঘটেছে বিদেশেও। আর বড় বড় শহরের শোরুমের এসব পণ্যের বিপুল চাহিদা মেটাতে হিমশিম খেতে হয় মাঝারি উদ্যোক্তাদের। ফলে সহজেই তাদের লাভবান হবারও সুযোগ রয়েছে।

বর্তমানে আমাদের দেশে বেশ কিছু ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সেখান থেকে সহজেই একজন নারী উদ্যোক্তা ঋণ পেতে পারেন। স্বাবলম্বী নারী হিসেবে সমাজে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে বেছে নিতে পারেন ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প। আশেপাশের যেকোন কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে আপনিও হতে পারেন একজন সফল নারী।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »