‘সমতলের আদিবাসীরা বৈষম্যের শিকার’

বার্তাবাংলা রিপোর্ট :: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, ‘সমতলের আদিবাসীরা বৈষম্যের শিকার। ভূমির অধিকার আদায়ের জন্য তারা ইংরেজ আমল থেকেই আন্দোলন করে আসছেন।’বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ডা. কাইছার রহমান চৌধুরী মিলনায়তনে সমতলের আদিবাসীদের প্রথম জাতীয় সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। আদিবাসী বিষয়ক সংসদীয় ককাস এ সম্মেলনের আয়োজন করে।মন্ত্রী বলেন, ‘আদিবাসীরা বিচ্ছিন্ন কোনো সম্প্রদায় নয়। আমাদের ও তাদের ভাষা-সংস্কৃতি-ধর্ম আলাদা হতে পারে। কিন্তু আমরা সবাই একই জনগোষ্ঠী অন্তর্ভুক্ত। অনেক আদিবাসী তাদের অধিকার আদায়ে প্রাণ দিয়েছেন। তাদের এই বৈষম্য নিরসন ও অধিকার আদায়ের দাবিগুলো আদিবাসী বিষয়ক সংসদীয় ককাসের মাধ্যমে পর্যালোচনা করা হবে। তাদের জন্য বরাদ্দকৃত বাজেটও পুনর্বিবেচনা করা হবে।’তিনি বলেন, ২৬ মার্চ আদিবাসীরা তীর-ধনুক নিয়ে প্রথম মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করেছে। সরকার ইতোমধ্যে তাদের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী জনগোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। সমতলের আদিবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, পাহাড়ী ও সমতলের বসবাসরত জনগোষ্ঠীর সব বৈষম্য দূর করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর।’ঘোষণাপত্রের ভূমিকায় সঞ্জীব দ্রং উল্লেখ করেন, ‘আদিবাসীদের জন্য পৃথক মন্ত্রণালয়, ভূমি কমিশন এবং স্বতন্ত্র আইন করতে হবে। বাজেটে আদিবাসীদের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ বাড়াতে হবে।’সভায় উপস্থিত ছিলেন- আদিবাসী বিষয়ক সংসদীয় ককাসের আহ্বায়ক ও রাজশাহী সদর আসনের এমপি ফজলে হোসেন বাদশা, বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী প্রমোদ মানকিন, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ সরেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির দীপায়ন খিসা প্রমুখ।