বিধ্বংসী জয়ে সবার উপরে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস » Leading News Portal : BartaBangla.com

বার্তাবাংলা ডেস্ক »

Dhaka20130205105852বার্তাবাংলা ডেস্ক ::টি-টোয়েন্টিতে বিশাল রানের ইনিংস অনেক আছে। কিন্তু বিপিএলে আগের সর্বোচ্চ ইনিংস ছিল ২১৩ রানের, দুরন্ত রাজশাহীর ওই ইনিংসটি খেলেছিল। এবার সেই রেকর্ডই ছাড়িয়ে গেল গ্ল্যাডিয়েটরস। মঙ্গলবার রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ২০ ওভারে চার উইকেটে করল ২১৭ রান। রংপুরের পক্ষে এই রান মোকাবেলা করে ম্যাচ জেতা যে সম্ভব না তা একপ্রকার নিশ্চিতই ছিল। গ্ল্যাডিয়েটরস ম্যাচটা জিতল ৮৮ রানে। এবারের বিপিএলে এটাই সর্বোচ্চ রানে জয়।

ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস: ২১৭/৪ (২০ ওভার)
রংপুর রাইডার্স: ১২৯/১০ (১৯.৫ ওভার)
ফল: ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস ৮৮ রানে জয়ী

টসে জিতে ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত যে ভুল ছিল ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস মারমুখী ব্যাটিং করতেই তা বুঝে যায় রংপুর রাইডার্স। এই মৌসুমের সেরা ইনিংসটাই খেলে ফেলে গ্ল্যাডিয়েটরস। যে উইকেটে অন্য প্রতিপক্ষ টেনেটুনে দেড়’শ করতে পারে না সেখানেই সাকিব-এনামুলরা করেন রেকর্ড ২১৭ রান। এদিন ঢাকার প্রত্যেক ব্যাটসম্যানই আক্রমণাত্মক খেলেছে। জুটিগুলোও ছিল দারুণ।

ওপেনিংয়ে ৩৪ রানের জুটি হয় তিলকারত্নে দিলশান ও মোহাম্মদ আশরাফুলের। দিলশান ১৮ রানে উইকেটের পেছনে ক্যাচ হন মুরাদ খানের বলে। আশরাফুল তাঁর ইনিংসটাকে লম্বা করতে পারেননি। ১৪ রানে নিয়াল ও’ব্রায়নকে উইকেট দিয়ে এসেছেন তিনি।

এনামুল হক ও সাকিব আল হাসানের জুটিটা ৮২ রানের। চারটি চার ও দুটি ওভার বাউন্ডারি মিলে ২৪ বলে ৪২ রান এসেছে সাকিবের ব্যাট থেকে।

ঝড়ের গতিতে চলেছে এনামুল হকের ব্যাট। ৪৬ বলে ৮৩ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। ডেনজা হায়াতের বলে ক্যাচ তোলার আগে ছয়টি বাউন্ডারি এবং পাঁচটি ওভার বাউন্ডারি হাঁকিয়েছেন ঢাকার টপঅর্ডার এই ব্যাটসম্যান। মিডল অর্ডারে ব্যাট করতে নেমে ২২ বলে ৪২ করলেন ড্যারেন স্টিভেন্স। ২০ ওভার শেষে চার উইকেটে ঢাকার রান হয় ২১৭।

২১৮ রানের অসম্ভব লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে রংপুর একটিও ভালো জুটি গড়তে পারেনি। গ্ল্যাডিয়েটরস এদিন ব্যাটিংয়ের পর বোলিংটাও করেছে অসাধারণ। উইকেট খড়ায় থাকা মাশরাফি বিন মুর্তজা রংপুরের গুরুত্বপূর্ণ দুই ব্যাটসম্যান জুনায়েদ সিদ্দিক ও নাসির হোসেনের উইকেট শিকার করেন। উইকেট কিপারের হাত ফসকে বল সীমানা দড়ির ওপারে না গেলে রান খরচও কম হতো। চার ওভারে ২০ রান দিয়েছেন অধিনায়ক। আশরাফুল পাঁচ বলে নয় রান দিয়ে নিয়েছেন দুই উইকেট। উরুর পেছনের পেশিতে চোট থাকায় আগের দুই ম্যাচে না খেলা সাকিব চার ওভারে ১৯ রান দিয়ে নিলেন তিন উইকেট। ঢাকা যে সাতজন বোলার ব্যবহার করেছে তাদের সবাই দারুণ বোলিং করেছে।

রংপুরের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান ধীমান ঘোষের অপরাজিত ৩৬ রান। এছাড়া মো. শরিফের ২১ ও কেভিন ওব্রায়নের ২০ রান তৃতীয় সেরা।

ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতলেন এনামুল হক বিজয়।

এ জয়ে ঢাকা পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে। আট ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ১২। রান রেটে এগিয়ে থেকে সিলেট রয়্যালসের ওপরে চলে গেছে তারা।

শেয়ার করুন »

লেখক সম্পর্কে »

মন্তব্য করুন »