জনসংখ্যার অনুপাতে পুলিশের জনবল যথেষ্ট নয়

বার্তাবাংলা রিপোর্ট :: ‘ঢাকা মহানগরীতে ৭০টি ইন্টারসেকশান ট্রাফিক সিগন্যাল রয়েছে। এর মধ্যে দক্ষিণ সিটির আওতায় ৪০টি ও বাকি ৩০টি রয়েছে উত্তর সিটির আওতায়। তবে এসব সিগন্যাল বাতি সচল না থাকায় হাতের ইশারায় গাড়ি পারাপার করতে হয়।’

মঙ্গলবার দশম জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সংসদকে এ তথ্য জানান। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের (ঢাকা-৭) এ প্রসঙ্গে তাকে প্রশ্ন করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বব্যাংকের সাহায্যে এ সিগন্যাল বাতিগুলো স্থাপনের কাজ চলছে। ৭০টির মধ্যে ৪০টি ইন্টারসেকশানে সোলার প্যানেল, কাউন্টডাউনসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়েছে। ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট বাস্তবায়ন প্রকল্প এসব নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বাকি ৩০টি ইন্টারসেকশনে সোলার নিয়ন্ত্রিত অটো সিগন্যাল স্থাপনের কাজ চলছে। ৩০ সেপ্টেম্বর এ পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শেষ হবে এবং ৩০ অক্টোবরের মধ্যে সবকটি ইন্টারসেকশানে সিগন্যাল অনুযায়ী ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে।’

নারী সংসদ সদস্য ফজিলাতুন নেসা বাপ্পির প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রাজস্ব বাজেটের অর্থায়নে বিভিন্ন জেলা ও ইউনিটে বিদ্যমান ৬৮টি ব্যারাকের ৪৮টি ফ্লোরের ঊর্ধ্বমূখী সম্প্রসারণের কাজ বাস্তবায়ন হয়েছে। ফলে ৪ হাজার ৮০০ পুলিশের আবাসনের ব্যবস্থা হয়েছে। আরও ৬৫টি ফ্লোরের ঊর্ধ্বমূখী সম্প্রসারণ কাজের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। উত্তরা, সায়েদাবাদ ও নিউমার্কেটে পাঁচটি টাওয়ার ভবন নির্মিত হচ্ছে। এতে ৭৫০ পুলিশ সদস্যের পরিবারের আবাসনের ব্যবস্থা হবে।’

ট্রাফিকে কর্মরত পুলিশ সদস্যরা তাদের মূল বেতনের ৩০ শতাংশ হারে ৩২৫০ টাকা ট্রাফিক এলাউন্স পাচ্ছেন বলেও জানান তিনি।

আনোয়ারুল আজিম আনারের (ঝিনাইদহ-২) প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ‘জনসংখ্যার অনুপাতে পুলিশের জনবল যথেষ্ট নয়। পুলিশে আরও ৫০ হাজার লোক নিয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ পরিকল্পনার আওতায় পুলিশ বিভাগের সব ইউনিটসহ জেলা পুলিশের আওতাধীন ইউনিটগুলোতেও জনবল বৃদ্ধি করা হবে।’

এম এ মালেকের (ঢাকা-২০) প্রশ্নের উত্তরে আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘ফাঁড়ি বা ক্যাম্প স্থাপনের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকায় এ সম্পর্কিত যাবতীয় কার্যক্রম স্থগিত আছে। ফাঁড়ি এবং তদন্তকেন্দ্রের জনবলের কাঠামো প্রায় একই ধরনের। তবে তদন্তকেন্দ্র স্থাপনে সরকারি নীতিমালা রয়েছে। এজন্য ফাঁড়ির বিকল্প হিসেবে তদন্তকেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে।’