বার্তাবাংলা ডেস্ক »

sogsodবার্তাবাংলা রিপোর্ট :: হালনাগাদ শেষে নতুন খসড়া ভোটার তালিকায় ৪৬ লাখ ভোটার বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানিয়েছেন সংসদকার্যে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। মন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, আগামী একাদশ সংসদ ও স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচনে ওই সংখ্যক বর্ধিত ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

তিনি জানান, এবারের হাল নাগাদে সম্ভাব্য ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধির হার বিদ্যমান ভোটারের ৫ শতাংশ ধরা হয়েছে। ২০১৫ সালের ২ জানুয়ারি নতুন খসড়া ভোটার তাালিকা প্রকাশিত হবে।

সোমবার দশম জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য এম আব্দুল লতিফ বিশ্বাসের এক প্রশ্নের জবাবে সংসদকে এই তথ্য জানান মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ‘২০১৪ সালে তৃতীয়বারের মতো ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ চলছে। চলতি ২০১৪ সালের ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম তিনটি পর্যায়ে সম্পন্ন করা হচ্ছে। প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের পর নিবন্ধন চলমান আছে। তৃতীয় পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।’

তিনি জানান, তিনটি পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ ও নিবন্ধনের কার্যক্রম অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাসে শেষ হবে। এর পর আগামী ২ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হবে। তার উপর আপত্তি শুনানি গ্রহণ শেষে ৩১ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে চূড়ান্ত হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

মাদারিপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গা ভোটার ঠেকাতে নির্বাচন কমিশন হোঁচট খাচ্ছে, এমন ধারণা ঠিক নয়।’

তিনি জানান, গত ভোটার হালনাগাদ কার্যক্রমে রোহিঙ্গামুক্ত ভোটার তালিকা প্রনয়ণে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকা যেমন কক্সবাজার, বান্দবান জেলার চারটি উপজেলা এবং রাঙ্গামাটি জেলার দুটি উপজেলাকে বিশেষ এলাকা ঘোষণা করা হয়। নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে আহ্বায়ক এবং উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে সদস্য সচিব করে ১৪ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। এ ছাড়া ওই এলাকায় ভোটার তথ্য সংগ্রহের জন্য ভোটার নিবন্ধন ফরমের অতিরিক্ত একটি বিশেষ ফরম প্রণয়ন করা হয়েছে। বিশেষ এলাকাগুলোতে নতুন ভোটার নিবন্ধনের ক্ষেত্রে তথ্য সংগ্রহকারীরা ভোটার নিবন্ধন ফরম ও বিশেষ ফরম পূরণ করে থাকেন।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »