মাদারীপরে নৌযান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে

বার্তাবাংলা ডেস্ক :: কাওড়াকান্দি-মাওয়া নৌরুটে গত এক সপ্তাহের স্থবিরতা কাটতে শুরু করেছে।

সোমবার সকাল থেকে এ নৌরুটে সব নৌযান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। ফলে কাওড়াকান্দি ঘাটে আটকে থাকা অসংখ্য পণ্যবাহী পরিবহন সকাল থেকে পার হতে শুরু করেছে। আটকে থাকা পরিবহন চালক ও সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে স্বস্তি, ফিরে এসেছে গতি।

গত সপ্তাহে পদ্মায় অব্যাহত প্রবলস্রোত ও মাওয়া ঘাটের ৩নং ফেরিঘাট পদ্মায় বিলীন হয়ে যাওয়ায় এ নৌরুটে ফেরি চলাচল ব্যহত হয়। প্রায় সপ্তাহ ধরে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ফেরি চলাচল করার কারণে উভয় ঘাটে আটকে পড়ে সহস্রাধিক পরিবহন। দেখা দেয় তীব্র যানজট। শুরু হয় এ রুটে চলাচলকারী হাজারো যাত্রীর দুর্ভোগ।

দীর্ঘদিন পর সোমবার সকাল থেকে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। আর এতে করেই ঢাকামুখী যাত্রী ও যানবাহন চালকদের মনে ফিরে এসেছে স্বস্তি ও প্রাণচাঞ্চল্যতা।

ঘাটের অচলাবস্থায় আটকে পড়া পরিবহনগুলো সকাল থেকে পার হয়ে যাচ্ছে। ফলে পাঁচ্চর সংলগ্ন ঢাকা-খুলনা মহাসড়কেও কমতে শুরু করেছে পরিবহনের দীর্ঘ লাইন। সোমবার দুপুর ১টা পর্যন্ত প্রায় ফাঁকা হয়ে গেছে পরিবহনে আটকে থাকা ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক।

এদিকে স্রোতের তীব্রতা একটু কমে যাওয়ায় লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচলও স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। কাওড়াকান্দিঘাট এলাকায় নেই কোনো যানজট ও যাত্রীদের ভোগান্তি। লঞ্চ ও স্পিডবোটের ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী গুণে গুণে যাত্রী তুলে পার করা হচ্ছে বলে ঘাটের একাধিক সূত্র জানায়।

বিআইডব্লিউটিসি কাওড়াকান্দিঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক আব্দুল বাতেন মিয়া বলেন, ‘সকাল থেকে ১৭টি ফেরির মধ্যে ১১টি চলাচল শুরু করছে এই নৌরুটে। এরমধ্যে ৩টি রো রো, ডাম্প ৪টি, কে-টাইপ ৩টি ও ভিআইপি ১ ফেরি চলাচল করছে। তবে যানবাহনের তেমন চাপ নেই।’

তিনি বলেন, ‘রোববার বিকেল পর্যন্ত যে পণ্যবাহী ট্রাকগুলো ঘাটে আটকা পড়েছিল তা পারাপার করা হয়েছে। বাকি যানবাহনও দুপুর নাগাদ পারাপার করা সম্ভব হবে।’