তোবাশ্রমিক আন্দোলনে বেশিরভাগই বহিরাগত

বার্তাবাংলা রিপোর্ট :: তোবা গ্রুপের গার্মেন্টস শ্রমিক আন্দোলনে বেশিরভাগ আন্দোলনকারীই বহিরাগত ছিল বলে দাবি করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন, ‘নির্ধারিত দিনে ও পরের দিনে শ্রমিকরা বিজিএমই থেকে বেতন নিয়ে সেটাই প্রমাণ করেছে। অনেকে তাদের বেতন না নেয়ার জন্য আটকাতে চেষ্টা করেছে। কিন্তু শ্রমিকদের কেউ আটকাতে পারেনি।’

বুধবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তারে অস্ট্রেলীয় হাই কমিশনার গ্রেগ উইলককের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘শ্রমিকদের দাবি আদায়ে সরকারের সঠিক পদক্ষেপের কারণে মালিকপক্ষ শ্রমিকদের পাওনা বুঝিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। আমরা তিন জন মন্ত্রী বিজিএমইর সঙ্গে বার বার বৈঠক করেছি এবং শ্রমিকদের টাকা দিতে তাদের বাধ্য করেছি। আমাদের পদক্ষেপের কারণেই মালিক জমি বিক্রি করে বেতন পরিশোধ করেছে।’

উল্লেখ্য, ঈদের কয়েকদিন আগ থেকে রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় তোবা গ্রুপের পাঁচটি কারখানার শ্রমিকরা বেতন ও বোনাসের দাবিতে আন্দোলন করে। এক পর্যায়ে তারা আমরণ অনশনে যায় ঈদের পরেও অব্যাহত থাকে। এতে শ্রমিক নেতাসহ কয়েকটি প্রগতিশীল দলের নেতারা সমর্থন দেন। পরে কারখানা মালিক দেলোয়ারের জামিনে মুক্তির পর বিজিএমই ও সরকারের উদ্যোগে শ্রমিকদের ৩ মাসের বেতন দেয়া হয়। কিন্তু ঈদ শেষে কারখানা বন্ধ থাকায় এখনো কাজে যোগ দিতে পারেনি শ্রমিকরা।

এখন কারখানা খুলে দেয়ার দাবি আবার আন্দোলনের ডাক দিয়েছে সম্মিলিত শ্রমিক ফেডারেশন। বুধবার বিকেল ৪টায় বিক্ষোভ কথা থাকলেও শ্রমিকরা জড়ো হওয়ার আগেই পুলিশ তাদের সরিয়ে দিয়েছে। এবং ফেডারেশনের সভাপতি মোশরেফা মিশুসহ চার জনতে আটক করেছে বাড্ডা থানা পুলিশ।

কারখানা বন্ধের ব্যাপারে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কারখানা বন্ধের বিষয়ে প্রচলিত আইনে শ্রমিকদের দাবি দাওয়ার বিষয়ে যে বিধান রয়েছে তা পরিশোধ করেই করতে হবে। আইন মেনে কোনো ব্যবসায়ী যদি মনে করেন তিন ব্যবসায় থাকবেন না, তাহলে তাকেতো জোর করে ব্যবসায় রাখা যাবে না।’