পদ্মার প্রবল স্রোতে উদ্ধারকাজে বাধা

বার্তাবাংলা ডেস্ক:: রাজধানী ঢাকার দক্ষিণে মাওয়ার কাছে পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া লঞ্চের যাত্রীদের মধ্যে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রায় ১৫০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে ৫০ জনের মতো।মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে উদ্ধারকারীরা আশঙ্কা করছেন। লঞ্চটি ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী বহন করছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।উদ্ধারকাজে সেখানে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের ডুবুরিরা রয়েছেন।সোমবার সকাল সোয়া ১১টার দিকে পিনাক-৬ নামের লঞ্চটি প্রায় ২০০ যাত্রী নিয়ে শরীয়তপুরের কাওরাকান্দি থেকে মুন্সীগঞ্জের মাওয়াঘাটের দিকে যাচ্ছিল। লঞ্চটিতে ঈদ-ফেরত যাত্রী ছিল।স্থানীয় লোকজন বলছেন, লঞ্চটি ডুবে যাওয়ার সময় নদীতে উত্তাল ঢেউ, প্রবল বাতাস ও স্রোত ছিল।বাংলাদেশ আভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থার চেয়ারম্যান মো. শামসুদ্দোহা খন্দকার জানান, মাওয়াঘাটের বেশ কাছেই ৬০০ গজ দূরে ডুবেছে লঞ্চটি।তিনি বলেন, উত্তাল ঢেউ ও প্রবল স্রোতে পানিতে লঞ্চটি নিচের অংশে খোলের দিকে খানিকটা পানি ঢুকে যায়। বাতাসের তোড়ের কারণে যাত্রীর ভয়ে সবাই একদিকে জড়ো হলে লঞ্চটি একদিকে কাত হয়ে যায়। তারপর ডুবে যায়। তিনি বলেন, নদীর পাড়ে দাঁড়ানো এক প্রত্যক্ষদর্শীর মোবাইল ফোনে তোলা ভিডিওতে এমনটাই তাঁরা দেখেছেন।লঞ্চটি ডুবে যাওয়ার পর পরই স্থানীয় লোকজন উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসে এবং ৪০ জনের মতো যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করে।এরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছায় উদ্ধারকারী কর্তৃপক্ষ। সেখানে উদ্ধারকাজে অংশ নিচ্ছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের ডুবুরিরা।তারা আরো ১০০ জনের মতো যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করে।মুন্সীগঞ্জের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সর উপপরিচালক মো. ইয়াহিয়া শিকদার জানান, প্রবল বাতাস ও স্রোতের কারণে উদ্ধারকাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি বলেন, বাতাস ও স্রোত উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়া নৌকাগুলোকে ঠেলে সরিয়ে দিচ্ছে। এখন তাঁরা ডুবে যাওয়া লঞ্চটির অবস্থান জানার চেষ্টা করছেন।