বার্তাবাংলা ডেস্ক »

Dating App

Screenshot_15বার্তাবাংলা ডেস্ক::আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক নাসির হায়দার বাবুলকে জুতার মালা পরিয়ে মারধরের ঘটনায় প্রক্টর অফিস থেকে ৬ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে শোকজের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) মূল ফটকে রোববার তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে ছাত্রলীগের একাংশ।

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫ম দিনে মতো অবরোধ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে চবি ছাত্রলীগের আরেক সহ-সভাপতি অমিত কুমার বসু ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সুমন মামুনের অনুসারীরা।

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক জালাল আহমেদ বলেন, একজন আওয়ামী লীগ নেতাকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় জড়িতদের কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ বহিষ্কার করেছে। কিন্তু বিচারের পর বহিরাগত সুমন মামুন ও অমিত কুমার বসু শাটলট্রেন ও শিক্ষকদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, প্রশাসন নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে ছাত্রলীগের ওই নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শোকজ লেটার পাঠিয়েছে। যার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে তালা দিয়ে প্রতীকী প্রতিবাদ জানাচ্ছেন তারা।

নাসির হায়দার বাবুলকে জুতার মালা পরিয়ে মারধরের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করে শনিবার চবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সাব্বির আহমেদের অনুসারী রুবেল দে, সোহেল খান, আসিফুজ্জামান আসিফ, কাউসার মিয়া, ফরহাদ হোসেন ও মোহাম্মদ রাশেদ হোসাইনকে শোকজ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অফিস। শোকজে তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেনো বহিষ্কার করা হবে না? তা জানতে চাওয়া হয়।

এদিকে, প্রক্টরের অপসারণ ও নাসির হায়দার বাবুলের ওপর হামলাকারীদের বহিষ্কার দাবিতে চবিতে গত ৭ এপ্রিল থেকে অবরোধ পালন করছে ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি অমিত কুমার বসু ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সুমন মামুনের অনুসারীরা।

অবরোধের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে শাটলট্রেন বন্ধ রয়েছে। কোনো ক্লাস ও পরীক্ষাও অনুষ্ঠিত হয়নি।

এ প্রসঙ্গে অমিত কুমার বসু বলেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ লিখিতভাবে নাসির কমির বাবুলের ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনকে অনুরোধ জানালেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি তারা বরং হামলাকারীদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রক্টর তাদের মদদ দিয়ে আসছে বলে জানান তিনি। তাই প্রক্টরের অপসারণসহ ৮ দফা দাবি না মানা পর্যন্ত অবরোধ কর্মসূচি চালাবে তারা।

Dating App
শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »