‘রাজধানীতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি’

বার্তাবাংলা রিপোর্ট ::রোজার একদিন আগেই রাজধানীতে বাড়তে শুরু করেছে মুড়ি, ছোলা, চিনিসহ অন্য খাদ্য সামগ্রীর দাম। তবে, সরবরাহ ভালো থাকলেও ফলের দাম নিয়ে ক্রেতা বিক্রেতাদের রয়েছে ভিন্নমত। এদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী পদক্ষেপের আশ্বাস থাকলেও তাতে আস্থা নেই ভোক্তাদের।

রোজার আগেই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য চিনি, ছোলা, মসুরের ডাল, সয়াবিন তেল ও খেজুরের দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্ষোভ লক্ষ্য করা গেছে ক্রেতাদের মধ্যে। যদিও পাইকারি ব্যবসায়ীদের দাবি, সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকায় দাম বাড়ানোর কোন সুযোগ নেই। বরং খুচরা পর্যায় দাম বাড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের।

বাজারে আসা একজন ক্রেতা বলেন, ‘ছোলা, চিনি, তেল সব কিছুর দামই বাড়তি। রোজা শুরু হলে দাম আরও বাড়বে বলে মনে হচ্ছে।’

অপর একজন ক্রেতা বলেন, ‘সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে যে ব্যবস্থাপনা আছে এর মধ্যে কোন স্বচ্ছতা নেই।’

দাম বৃদ্ধির বিষয়টি অস্বীকার করে একজন ব্যবসায়ী জানান, রমজান উপলক্ষে কোন পণ্যের দাম বাড়েনি। আগের দামেই পণ্য বিক্রি হচ্ছে। পণ্য মূল্য স্থিতিশীল রয়েছে।

অন্যান্য পণ্যের পাশাপাশি রোজায় ফলের চাহিদা বেড়ে যায় কয়েকগুণ। আর তাই কয়েকদিনের ফরমালিন বিরোধী অভিযানে বিক্রি কিছুটা কম থাকলেও ইফতারের জন্য ফল কিনতে বাজারমুখী হচ্ছেন ক্রেতারা। বাজারে আম-৬০ থেকে ১২০ টাকা, আপেল-১৫০ থেকে ১৮০ টাকা, খেজুর ৮০ টাকা থেকে প্রকারভেদে ৮০০ টাকা কেজি পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতাদের মধ্যে ফরমালিন আতঙ্ক না কমলেও কিনছেন মৌসুমি ফল।

একজন ফল বিক্রেতা বলেন, ‘গত বছর মালটার দাম বেশি থাকলেও এ বছর মালটার দাম কম তবে খেজুরের দাম বর্তমানে বাড়তি রয়েছে।’

ফল কিনতে আসা একজন ক্রেতা বলেন, ‘বর্তমানে ফলের দাম অনেক বেশি। বিশেষ করে আপেল, খেজুর কিনতে এসে দরদামে বনিবনা হচ্ছে না।’

অপর একজন ক্রেতা জানালেন, ‘মালটা ও আপেলে ফরমালিন বেশি থাকে বিধায় এগুলো কিনতে ভয় কাজ করে।’

এদিকে, দাম নিয়ন্ত্রণ ও নিম্ন আয়ের ক্রেতাদের জন্য এরই মধ্যে ট্রেডিং কর্পোরশেন অব বাংলাদেশ-টিসিবির মাধ্যমে খোলাবাজারে চিনি, ছোলা, মসুরের ডাল, সয়াবিন তেল ও খেজুর বিক্রি শুরু করেছে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে।