জিজ্ঞাসাবাদে নিজের শাস্তি চাইলেন আবিদ

বার্তাবাংলা রিপোর্ট :: একরামকে প্রথম গুলি ছোড়া আবিদুল ইসলাম আবিদ চিফ জুড়িসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জবানবন্দি দেয়ার সময় নিজেই তার শাস্তি দাবি করেছেন বলে জানান জেলা পুলিশ সুপার।

বিচারক মো. খাইরুল আমিনের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন তিনি।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে আবিদের জবানবন্দি শেষে পুলিশ সুপার পরিতোষ ঘোষ একরামের স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে আবিদের ব্যাপারে তাকে বিস্তারিত জানান।

পুলিশ সুপার এ সময় একরামের পরিবারের খোঁজ খবর নেন এবং আশ্বস্ত করে বলেন, ‘বাহিরের পুলিশ এনে মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে।’

এ সময় একরামের স্ত্রী তামমিন আক্তার মামলার তদন্তের ভার সিআইডির কাছে হস্তান্তরের অনুরোধ জানান।

স্থানীয় সূত্র জানায়, একরাম হত্যাকাণ্ডে বিএনপি নেতা মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী মিনার জড়িত ছিলেন বলে আবিদ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

গতকাল মঙ্গলবার ভোরে রিমান্ডে থাকা আসামিদের সঙ্গে গোপনে দেখা করতে পুলিশ লাইনে গিয়েছেন নিজাম হাজারী। এ রকম একটি গুঞ্জন শোনা গেছে। তবে এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি,তদন্ত) আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি। একরামকে প্রথম গুলি ছোড়া আবিদুল ইসলাম আবিদ চিফ জুড়িসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জবানবন্দি দেয়ার সময় নিজেই তার শাস্তি দাবি করেছেন বলে জানান জেলা পুলিশ সুপার।

বিচারক মো. খাইরুল আমিনের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন তিনি।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে আবিদের জবানবন্দি শেষে পুলিশ সুপার পরিতোষ ঘোষ একরামের স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে আবিদের ব্যাপারে তাকে বিস্তারিত জানান।

পুলিশ সুপার এ সময় একরামের পরিবারের খোঁজ খবর নেন এবং আশ্বস্ত করে বলেন, ‘বাহিরের পুলিশ এনে মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে।’

এ সময় একরামের স্ত্রী তামমিন আক্তার মামলার তদন্তের ভার সিআইডির কাছে হস্তান্তরের অনুরোধ জানান।

স্থানীয় সূত্র জানায়, একরাম হত্যাকাণ্ডে বিএনপি নেতা মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী মিনার জড়িত ছিলেন বলে আবিদ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

গতকাল মঙ্গলবার ভোরে রিমান্ডে থাকা আসামিদের সঙ্গে গোপনে দেখা করতে পুলিশ লাইনে গিয়েছেন নিজাম হাজারী। এ রকম একটি গুঞ্জন শোনা গেছে। তবে এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি,তদন্ত) আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।